আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় কিছু রিটার্নিং অফিসারের কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
দলটি জানাচ্ছে, প্রার্থীরা সব প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র দাখিল করার পরও উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাদের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। আইনের দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ নয় এমন তুচ্ছ বা অহেতুক বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রার্থিতা বাতিলের ঘটনাটি অনুমোদনযোগ্য নয়। দল মনে করছে, এই প্রক্রিয়ায় একটি বিশেষ মহলের ইন্ধন কাজ করছে।
দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার রোববার (৪ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে বলেন, “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বিভিন্ন আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর যাচাই-বাছাই চলছে। এই সময়ে কিছু জেলার রিটার্নিং অফিসারদের কর্মকাণ্ড ভিন্ন চিত্র করেছে। কিছু ক্ষেত্রে তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, রিটার্নিং অফিসারের ব্যক্তিগত এখতিয়ারে ছাড় দেওয়া যেত এমন ক্ষেত্রেও কঠোর নীতি অবলম্বন করা হয়েছে। উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাড়াবাড়ি করার কারণে অনেক যোগ্য প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। প্রদত্ত তথ্য ও কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে, যা মোটেও সমীচীন নয়।
গোলাম পরওয়ার বলেন, “আমাদের মনে হচ্ছে, কোনো একটি মহলের ইন্ধনে এই প্রক্রিয়া চলছে। এভাবে চললে আগামী সংসদ নির্বাচন কতটা অবাধ, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ হবে তা বড় প্রশ্ন। আমরা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, রিটার্নিং অফিসাররা যেন গুরুত্বহীন তুচ্ছ ঘটনায় কোনো প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল না করেন। যাদের প্রার্থিতা তুচ্ছ অজুহাতে বাতিল করা হয়েছে, তাদের তা অবিলম্বে বৈধ ঘোষণা করা হোক।
এছাড়া, নির্বাচনের মাঠ সমতল রাখতে ও সকল প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।





