কপিল শর্মা নিজের কমেডি শো’তে সালমান খানকে আমন্ত্রণ করে এবার বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নিশানায় । এ নিয়ে এক মাসে দুবার কৌতুকশিল্পীর কানাডার ক্যাফেতে হামলা চালাল গ্যাংস্টাররা। ইতিমধ্যেই গ্যাংস্টার গোল্ডি ধিঁলো এক বিস্ফোরক অডিও ক্লিপে ঘটনার দায় স্বীকার করে নিয়েছে । সে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের অন্যতম সদস্য।
সেই অডিও বার্তাতেই বিষ্ণোইদের তরফে সাফ জানানো হয়েছে, ‘সালমান খানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার জেরেই কপিল শর্মার ক্যাফেতে গোলাগুলি করা হয়েছে। ভবিষ্যতে কেউ সালমানের সঙ্গে কাজ করলে তাকেও চরম পরিণতি ভুগতে হবে। এবার সোজা বুকে গুলি চলবে।’
এদিকে, সালমান খানের জীবন নিয়ে শঙ্কা ও একের পর এক তারকার ওপর হামলা, তারকাদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা ও হুমকি-ধমকি নিয়ে ক্ষিপ্ত হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির একাংশ।
তাদের নিরাপত্তা চেয়ে এবার বড় পদক্ষেপ নিল ইন্ডিয়া সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন। তাদের দাবি, সালমান খান, বাবা সিদ্দিকি, সাইফ আলি খানের ওপর সাম্প্রতিক হামলা ইঙ্গিত দিচ্ছে নানা কিছুর। তাই পরবর্তী লক্ষ্য কে হতে পারে, তা নিয়ে সবাই আতঙ্কে।
সংগঠনটি এ নিয়ে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর কাছে বিশেষভাবে আবেদন করেছে।
কানাডায় ব্যবসা করার লক্ষ্যে একটি ক্যাফে চালু করেছিলেন কপিল শর্মা। কিন্তু উদ্বোধনের এক সপ্তাহের মধ্যেই আসতে শুরু করে হুমকি। গত ৯ জুলাই রাত ১টার দিকে প্রথমবার ক্যাফেতে গুলি চালানো হয়।
এক মাসও পার হয়নি, এর মধ্যেই ফের হামলা। গত বৃহস্পতিবার রাতে কপিলের কানাডার রেস্তোরাঁয় দ্বিতীয়বারের মতো গুলিবর্ষণ হয়। ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি, সেদিন অন্তত ২৫ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছিল, যদিও কোনো হতাহতের খবর মেলেনি।
সালমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে ইতিমধ্যেই ভারতের প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী বাবা সিদ্দিকিকে হত্যা করেছে বিষ্ণোই গ্যাং। বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সঙ্গে সালমানের শত্রুতা কারোই অজানা নয়। ১৯৯৮ সালে রাজস্থানে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যাকাণ্ডে নাম জড়ায় ভাইজানের। সেই সময় থেকে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নিশানায় সালমান খান। লাগাতার হুমকি পাচ্ছেন এই বলিউড অভিনেতা।





