এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি যদি পেশিশক্তি ব্যবহার করে ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করে, তাহলে ১১ দলীয় ঐক্যজোট বসে থাকবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
বৃহস্পতিবার মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল বাসস্ট্যান্ডে এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, শেরপুরে জামায়াতের এক উপজেলা সেক্রেটারিকে হত্যার মাধ্যমে বিএনপি আওয়ামী লীগের মতো সন্ত্রাসী রাজনীতি ফিরিয়ে এনেছে। তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের যে কার্যক্রম ছিল, বিএনপি এখন সেটিই নতুন করে চালু করছে।
তিনি আরও বলেন, মৌলভীবাজার-৪ আসনে এনসিপি সব ধর্ম ও জনগোষ্ঠীর মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য প্রীতম দাসকে প্রার্থী করেছে। বিভক্তির সুযোগ নিয়ে যেন আসনটি চাঁদাবাজদের দখলে না যায়, সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে শাপলা কলির পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সাবেক উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, ৫ আগস্টের পর যারা অন্যায় করেছে, তাদের বিচার হবে আইনের মাধ্যমে। যারা নির্দোষ, তাদের হয়রানি করা হবে না। একটি দল ভোটের বিনিময়ে মামলা প্রত্যাহারের প্রলোভন দিচ্ছে, যা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, একটি দল তত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বাড়াচ্ছে। জামায়াতের এক নেতাকে হত্যার ঘটনা তারই প্রমাণ। তিনি জানান, ভোটের দিন ভোটারদের নিরাপত্তা ও ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ১১ দলীয় জোট মাঠে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, দলীয় জোট ক্ষমতায় এলে চা-শ্রমিকদের ভূমির অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হবে এবং ঘণ্টায় ১০০ টাকা মজুরির দাবি বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী প্রীতম দাস বলেন, এই অঞ্চলের চা-শ্রমিক, কৃষক ও জেলেরা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। চাঁদাবাজি, মামলাবাজি আর ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোট আদায়ের রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানান তিনি।
পথসভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলামসহ এনসিপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।





