ইসলামে খেলাধুলা অনুমোদিত হলেও তা কিছু শর্তসাপেক্ষ। আল্লাহ মানুষকে ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন, তাই বিনোদনের মাধ্যম হিসেবেও খেলায় যেন ইবাদতের পথে বাধা না আসে। শরীর চর্চা ও মেধা বিকাশের উদ্দেশ্যে খেলাধুলাকে ইসলাম অনুমতি দিয়েছে। হাদিসে সাঁতার, লক্ষ্যভেদসহ শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানোর অনুশীলনকে উত্তম খেলা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
তবে খেলাধুলায় ফরজ ও ওয়াজিব কাজ যাতে নষ্ট না হয়, অশ্লীলতা বা হানাহানি না ঘটে এবং সতরের সীমারেখা লঙ্ঘিত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি।
\r\nক্রিকেট খেলার বিধান
\r\nযে কোনো খেলা নিচের শর্তগুলো পূরণ করলে জায়েজ হবে—
১. খেলা হবে শুধু শরীর চর্চা ও মানসিক প্রশান্তির জন্য।
২. পেশা হিসেবে খেলাধুলা গ্রহণ না করা।
৩. খেলায় জুয়া বা বাজি না থাকা।
৪. শরয়ী সতর বজায় রাখা।
৫. খেলার কারণে শারীরিক ক্ষতি বা অঙ্গহানি না হওয়া।
\r\nশরীয়তসম্মতভাবে এসব শর্ত পূরণ হলে ক্রিকেট খেলা জায়েজ। তবে বর্তমানে প্রচলিত ক্রিকেটে একাধিক শরীয়তবিরোধী বিষয় মিশ্রিত থাকায় তা নাজায়েজ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। সে কারণে খেলায় জয়লাভের জন্য আলাদা করে দোয়া করাও নাজায়েজ।
\r\nদাবা
\r\nহানাফী মাযহাব অনুযায়ী দাবা খেলা জায়েজ নয়।
\r\nক্যারাম বোর্ড
\r\nএ খেলায় দুনিয়া বা আখেরাতের কোনো উপকারিতা নেই বলে একে নাজায়েজ ধরা হয়েছে।
\r\nপ্রাণীর খেলা
\r\nসাপ, বেজি বা বানরের খেলা দেখা, দেখানো কিংবা এর বিনিময়ে অর্থ লেনদেন করা জায়েজ নয়।





