রংপুর প্রতিনিধি: গণ অধিকার পরিষদ (জিওপি) রংপুর জেলা শাখার ৮৮ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে মো. শেরে খোদা আসাদুল্লাহ সভাপতি, মো. তোফায়েল আহমেদ তুষার সাধারণ সম্পাদক এবং মো. রুবেল হোসেনকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২১ জুলাই) রাতে গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল হক নুর এবং সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানের স্বাক্ষরিত দলীয় প্যাডে এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। আগামী এক বছরের জন্য এই কমিটি কার্যকর থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

এ উপলক্ষে প্রতিক্রিয়ায় নবনির্বাচিত সভাপতি মো. শেরে খোদা আসাদুল্লাহ বলেন, “আপনারা জানেন, গণঅধিকার পরিষদ সবসময় সাধারণ মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বলে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কর্মসূচিতে গণঅধিকার পরিষদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে। আমরা ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে উঠে এসে মানুষের মৌলিক অধিকার ও যৌক্তিক দাবি আদায়ে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আগামী দিনেও এই লক্ষ্য সামনে রেখেই সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ।”

তিনি নবগঠিত জেলা কমিটির সকল সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। পাশাপাশি প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, “এই কমিটির নেতৃত্বে রংপুর জেলা শাখা সুসংগঠিত ও বলিষ্ঠভাবে অগ্রসর হবে। খুব শিগগিরই জেলার আটটি উপজেলাতেই গণঅধিকার পরিষদের কার্যক্রম বিস্তৃত হবে এবং উপজেলা কমিটিগুলো গঠন করা হবে।”

নবগঠিত এই কমিটিকে ঘিরে রংপুর জেলার নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের দলীয় নেতারা কমিটির প্রতি পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেছেন এবং সংগঠনের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন।