গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনী ও হামাসের মধ্যে চলমান সংঘর্ষে আরও এক সেনা নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৫ জুন) সকাল ৯টার দিকে খান ইউনিস এলাকায় রকেট চালিত গ্রেনেড (আরপিজি) হামলায় তিনি প্রাণ হারান। নিহত সেনার নাম সার্জেন্ট ফার্স্ট ক্লাস (রিজার্ভ) নোম শেমেশ (২১)। তিনি জেরুজালেমের বাসিন্দা এবং কফির ব্রিগেডের শিমশন ব্যাটালিয়নের স্কোয়াড কমান্ডার ছিলেন।
\r\nইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, একই হামলায় আরও এক সেনা আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় গাজা অভিযানে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মোট প্রাণহানি দাঁড়াল ৪৩০ জনে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন দুইজন পুলিশ কর্মকর্তা এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তিনজন বেসামরিক ঠিকাদার।
\r\nপ্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। ওই হামলায় দক্ষিণ ইসরায়েলে প্রায় ১,২০০ জন নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে হামাসের হাতে ৫৩ জন ইসরায়েলি জিম্মি রয়েছে বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে অন্তত ৩৩ জন মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছে আইডিএফ। ২০ জনের জীবিত থাকার সম্ভাবনা থাকলেও, তিনজনের অবস্থান ও পরিস্থিতি সম্পর্কে গভীর শঙ্কা রয়েছে।
\r\nএদিকে, গাজায় অভিযান চললেও ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পর ইসরায়েল এখন এ যুদ্ধকে ‘দ্বিতীয় অগ্রাধিকারের লড়াই’ হিসেবে বিবেচনা করছে। তেহরানকে অস্তিত্বের জন্য হুমকি আখ্যা দিয়ে ইসরায়েল সম্প্রতি ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে ইরানও ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যাতে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলে অন্তত ১০ জন নিহত এবং ২০০ জনের বেশি আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে টাইমস অব ইসরায়েল।
\r\nসাম্প্রতিক এই আঞ্চলিক উত্তেজনা যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে, যা আন্তর্জাতিক উদ্বেগও বাড়িয়ে তুলছে।





