ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করার সময় তার পেছনের রিকশায় ছিলেন মো. রাফি। গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি পুরো ঘটনার বিবরণ জানিয়েছেন।


মো. রাফি বলেন, “জুমার নামাজ শেষে আমরা হাইকোর্টের দিকে রিকশায় যাচ্ছিলাম। বিজয়নগরে পৌঁছালে দুইজন মোটরসাইকেলযোগে এসে হাদি ভাইয়ের ওপর গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। আমি ভাইয়ের পেছনের রিকশায় ছিলাম।”


সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গুলিবিদ্ধ শরিফ ওসমান হাদিকে ‘লাইফ সাপোর্ট’ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানান, “হাদির অবস্থা ক্রিটিক্যাল। তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। গুলি তার মাথার ভেতরে অবস্থান করছে।”


হাদিকে দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তবে সেখানে তাঁকে সমর্থকদের স্লোগানের মুখে পড়তে হয়। বিকেল ৪টার দিকে জরুরি বিভাগের সামনে ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দেয় ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা মির্জা আব্বাসকে নিরাপত্তা দিয়ে হাসপাতালের ভেতরে প্রবেশ করান।


এর আগে দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় হাদির ওপর গুলি চালানো হয়। জুলাই ঐক্যের নেতা ইস্রাফিল ফরায়েজি জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে জরুরি বিভাগে আনা হয়।


ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক বলেন, “দুপুর আড়াইটার দিকে হাদিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। বাম কানের নিচে গুলি লেগেছে, অবস্থা আশঙ্কাজনক।”

\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n

ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, “আমরা শুনেছি, বিজয়নগর এলাকায় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত না হওয়ায় আমাদের টিম পাঠানো হয়েছে। টিমের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।”