সংবাদ লোড হচ্ছে...
সংবাদ লোড হচ্ছে...
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের মধ্যে কমপক্ষে ৮৪টিতে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে। পুলিশের একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ কারণে ভোটের দিন উত্তেজনা বা সহিংসতার ঝুঁকি থাকতে পারে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে এই আসনগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। একাধিক শক্তিশালী প্রার্থী, দলীয় মনোনয়ন নিয়ে অসন্তোষ, স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের সক্রিয়তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণ বিষয়টি তীব্র করেছে।
\r\nঢাকা বিভাগের ১৮টি আসনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এতে ঢাকা-৮, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫; টাঙ্গাইল-৩, ৪, ৫ ও ৮; গোপালগঞ্জ-২ ও ৩; মাদারীপুর-১ ও ২; কিশোরগঞ্জ-৫; মানিকগঞ্জ-১; মুন্সিগঞ্জ-৩ এবং ফরিদপুর-১ অন্তর্ভুক্ত। ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির মির্জা আব্বাস ও এনসিপি/জামায়াত জোটের নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ঢাকা-১১ আসনে বিএনপির এম এ কাইয়ুম ও এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াতের ডা. শফিকুর রহমান ও বিএনপির শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।
\r\nচট্টগ্রাম বিভাগের ১৮টি আসনও তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। এতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৫; কুমিল্লা-২, ৪, ৭ ও ১১; নোয়াখালী-২, ৫ ও ৬; লক্ষ্মীপুর-২ ও ৩; চট্টগ্রাম-৩, ১০ ও ১১; কক্সবাজার-২ ও ৪; চাঁদপুর-৪ এবং রাঙামাটি অন্তর্ভুক্ত। রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু আসনও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
\r\nগোয়েন্দা সূত্র জানায়, এসব আসনে প্রার্থীদের সমর্থকরা শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা করতে পারে, যা কিছু এলাকায় বিচ্ছিন্ন উত্তেজনা বা সহিংসতার পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। তবে বড় ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা কম। নিরাপত্তা বাহিনী আগাম সতর্কতা নিয়ে এই এলাকার নজরদারি বাড়িয়েছে।
\r\nপুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, সারা দেশের ৪২,৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫,৮৪৭টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেখানে বিশেষ নজরদারি রাখা হবে। সহকারী মহাপরিদর্শক এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, নির্বাচনের দিন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পুলিশ সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে এবং তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ ও নিরাপত্তা পরিকল্পনা করা হয়েছে।