সৌদি রাষ্ট্রদূতকে ঘিরে আলোচনায় আসা কথিত মডেল মেঘনা আলম দাবি করেছেন, তাকে গ্রেপ্তার নয় বরং “অপহরণ” করা হয়েছিল। রোববার (২২ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিজের মোবাইল, আইপ্যাড ও পাসপোর্ট ফেরতের আবেদন শেষে আদালত চত্বরেই সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

\r\n

মেঘনা বলেন, “আমাকে গ্রেপ্তার বলা ভুল হবে। কারণ গ্রেপ্তারের একটি আইনি প্রক্রিয়া থাকে, যা আমার ক্ষেত্রে মানা হয়নি। আমার বিরুদ্ধে কোনো মামলা, অভিযোগ বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল না। বাসায় হঠাৎ হামলা চালিয়ে আমাকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে—এটা অপহরণ, কোনোভাবেই আইনি গ্রেপ্তার না।”

\r\n

আদালতে মেঘনার পক্ষে আবেদনের শুনানি শেষে বিচারক এম.এ. আজহারুল ইসলাম আদেশের জন্য সোমবার দিন ধার্য করেন।

\r\n

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের জানা দরকার—সৌদি রাষ্ট্রদূতের বিরুদ্ধে আমি কিছু করিনি। ওই রাষ্ট্রদূত যদি আসলেই ক্ষতিগ্রস্ত হন, তাহলে আদালতে এসে প্রমাণ দিক। এখন পর্যন্ত তার কোনো ফরমাল অভিযোগ নেই। মিথ্যা মামলা চালিয়ে কারও লাভ হচ্ছে না।”

\r\n

গত ৯ এপ্রিল রাজধানীর বাসা থেকে অভিযান চালিয়ে মেঘনা আলমকে আটক করা হয়। পরদিন তাকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৩০ দিনের জন্য আটকাদেশ দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। সেই আটকাদেশ বাতিল হওয়ার পর ১৭ এপ্রিল ধানমণ্ডি থানার এক মামলায় তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরবর্তীতে ২৮ এপ্রিল আদালত জামিন মঞ্জুর করলে ২৯ এপ্রিল তিনি কারামুক্ত হন।

\r\n

বর্তমানে জামিনে থাকা মেঘনা আলম তার ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ফেরত চেয়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এবং দাবি করছেন, তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।