বিপিএলের ২০২৬ সালের আসরের শিরোপা জিতেছে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় নাজমুল হোসেন শান্তের দল।


মিরপুরে অনুষ্ঠিত ফাইনালে আগে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৪ রান সংগ্রহ করে। ইনিংসের মূল কৃতিত্ব তানজিদ হাসান তামিমের, যিনি তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ৬২ বল খেলে ১০০ রানের ইনিংস খেলেন তামিম, যেখানে ৬ চারে এবং ৭ ছক্কা মারেন। এছাড়া সাহিবজাদা ফারহান ৩০ এবং কেন উইলিয়ামসন ২৪ রানে ইনিংস শেষ করেন।


চট্টগ্রাম রয়্যালসের তাড়া করতে নেমে ইনিংস শুরুতেই উইকেট হারানো শুরু হয়। ওপেনার নাঈম শেখ মাত্র ১০ বল খেলে ৯ রান করেন, আর মির্জা বেগ ৩৬ বলে ৩৯ রান করে দলকে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান আসে আসিফ আলীর ব্যাট থেকে (২১), হাসান নাওয়াজ ও জাহিদুজ্জামান সাগর করেন ১১ রান করে। তবে চট্টগ্রাম তাড়া করতে না পেরে ১৭.৫ ওভারে মাত্র ১১১ রানে অলআউট হয়।


রাজশাহীর হয়ে বল হাতে দারুণ ছিলেন লঙ্কান পেসার বিনুরা ফার্নান্দো, ৩ ওভারে ৪ উইকেট শিকার করে মাত্র ৯ রান খরচা করেন। স্পিনার হাসান মুরাদ ১৫ রানে ৩ উইকেট নেন। তাদের বোলিং তোপের কারণে চট্টগ্রাম দলের রান বাড়ানো সম্ভব হয়নি।


চট্টগ্রামের পক্ষে মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ও শরিফুল ইসলাম ২টি করে উইকেট নেন। বিশেষ করে ইনিংসের শেষ বলে নাজমুল হোসেন শান্তের উইকেট শিকার করে বিপিএলের এক আসরে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড গড়েন শরিফুল ইসলাম। এই আসরে ১২ ম্যাচে তার সংগ্রহ ২৬ উইকেট। এছাড়া সেরা বোলিং রেকর্ড- ৯ রানে ৫ ও উইকেটও তার দখলে।


সংক্ষিপ্ত স্কোর:


রাজশাহী ওয়ারিয়র্স: ২০ ওভারে ১৭৪/৪ (তানজিদ ১০০, ফারহান ৩০, উইলিয়ামসন ২৪; মুকিদুল ২/২০, শরিফুল ২/৩৩)

চট্টগ্রাম রয়্যালস: ১৭.৫ ওভারে ১১১ (মির্জা ৩৯, আসিফ ২১, নেওয়াজ ১১; বিনুরা ৪/৯, মুরাদ ৩/১৫, নিশাম ২/২৪)


ফলাফল: রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ৬৩ রানে জয়ী।

ম্যাচসেরা: তানজিদ হাসান তামিম

টুর্নামেন্ট সেরা: শরিফুল ইসলাম


রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের এই জয় তাদের প্রথম বিপিএল শিরোপা। ফাইনালে দলের দাপুটে খেলায় চট্টগ্রাম রয়্যালসকে বিধ্বস্ত করে রাজশাহী বিজয় হাসিল করে।