উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবিতে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন ‘জুলাই আন্দোলনে’ চোখে আঘাতপ্রাপ্ত কয়েকজন আন্দোলনকারী। গত কয়েকদিন ধরে চলা এই আন্দোলন আজ বুধবার নতুন করে উত্তপ্ত ও সহিংস রূপ নেয়, যার ফলে হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

\r\n

হাসপাতাল সূত্র জানায়, আন্দোলনকারীদের কয়েকজন বিষ পান করেছেন এবং কেউ কেউ পেট্রল নিয়ে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন। এছাড়া, পরিচালককে অবরুদ্ধ করা, কর্মীদের হুমকি, ভাঙচুরের চেষ্টা ও চিকিৎসকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতিতে নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা কর্মবিরতিতে যান।

\r\n

এদিকে জানা গেছে, আন্দোলনকারীরা হাসপাতালের কয়েকজন কর্মীকে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রেখেছিলেন। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে তাদের পর্যায়ক্রমে উদ্ধার করা হচ্ছে। বর্তমানে হাসপাতাল চত্বরে পুলিশের ২০ জন সদস্য, আনসার বাহিনীর ২০ জন সদস্য এবং একটি সেনা টহল দল মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি এখনও থমথমে।

\r\n

বুধবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন কর্মচারীরা। তাঁরা বলেন, তারা শুধু নিরাপদ কর্মপরিবেশ চান এবং চলমান সহিংস পরিস্থিতির অবসান দাবি করছেন।

\r\n

উল্লেখ্য, ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে এখন পর্যন্ত জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।