বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বর্তমানে ভারতের কলকাতার অভিজাত আবাসন প্রকল্প DLF নিউটাউন হাইটস প্লাজা-তে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী।
\r\nফেসবুক পোস্টে বিষয়টি প্রথম সামনে আনেন গাজী নাসির উদ্দীন আহমেদ নামের এক ব্যক্তি। তিনি জানান, তাঁর এক বন্ধু চিকিৎসার জন্য কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে গেলে সেখানে ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে পান। পোস্টে উল্লেখ করা হয়, ওই ব্যক্তি অ্যাপোলো হাসপাতালের এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট শ্যামাশীষ ব্যানার্জির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কিছু সময় পর আকাশি রঙের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তিকে রুম থেকে বের হতে দেখা যায়। দেখে তিনি চমকে ওঠেন এবং বলেন, “এটা কি ওবায়দুল কাদের না?” তখনই উক্ত ব্যক্তি মুখে মাস্ক পরে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
\r\nওই বন্ধুর ভাষ্যমতে, \"স্যারকে পুরোপুরি সুস্থ দেখাচ্ছিল। তিনি বেশ পরিপাটি ছিলেন।\"
\r\nকলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ভারতের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতাদের সম্পর্কে অবগত। ফলে কোনো অপরাধে সম্পৃক্ত না থাকলে সাধারণত তাঁদের হয়রানি করা হয় না।
\r\nসূত্র জানায়, নিউটাউন হাইটস কমপ্লেক্সে আওয়ামী লীগের আরও কয়েকজন আলোচিত নেতা অবস্থান করছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও শ্রমিক নেতা শাজাহান খানের জামাতা ছোট মনির (তানভীর হাসান) এবং নিজাম হাজারী। জানা গেছে, এই বলয়ের মধ্যেই সীমিত পরিসরে যোগাযোগ রাখছেন কাদের। তিনি সাধারণত বাসা থেকে বের হন না, কেবল চিকিৎসার প্রয়োজনে হাসপাতাল যাতায়াত করেন।
\r\nবিশ্বস্ত সূত্রে আরও জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর কয়েক মাস ওবায়দুল কাদের দেশেই অবস্থান করেন। এরপর সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে পৌঁছান। সেখানে কিছুদিন অবস্থানের পর আসাম হয়ে সস্ত্রীক কলকাতায় যান তিনি।





