জাবি  প্রতিনিধি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।এতে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৯ তম আবর্তনের তানভীর সিদ্দিকী সাইমুন এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৯ তম আবর্তনের আরেক শিক্ষার্থী তৌফিকুর রহমান।


রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বর্তমান প্রেসিডেন্ট হাবিবুল্লাহ বাহারের সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি ঘোষণার কথা বলা হয়।

কমিটিতে সহ সভাপতি হিসেবে রয়েছে আজমির শেখ,আত্তাবুজ্জামান ফরহাদ ,হাবিবুর রহমান ইমন,মেহরাব হোসেন,লামিয়া জান্নাত,আশিকা রহমান বর্ষা,পার্থ ঘোষ,মেহেদী হাসান রাব্বী,মনিরুল ইসলাম,শোভন মল্লিক,দীপন মণ্ডল,রাকিব হোসেন,শেখ মো: তাজওয়ার,সুমন পাল। 

 এছাড়াও সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০ তম আবর্তনের শাহরিয়ার মুন্না। 
কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রয়েছেন রুমানা সিদ্দিকা 
এবং দপ্তর সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন  শরিফুল ইসলাম। 


যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন মোঃ আলামিন ইসলাম,মোঃ ইমরান নাজির,খালিদ হাসান ,রিপন মন্ডল ,রুকাইয়া রহমান রিম ,মেহেদী হাসান রাসেল ,জান্নাতুল ফেরদৌস,আজমল হোসেন,সাব্বির হোসেন,সুরাইয়া তৃষা,রাসেল হোসাইন ,ইসরাত সিনথিয়া,চিরঞ্জিত মন্ডল,ঐশ্বর্য্য বারি,রাবেয়া ইয়াসমিন বিথী,আল মাসুদ ,সাবিহা তাসনিম। এছাড়াও বিভিন্ন পদে মোট ৪৫জন মনোনীত হয়েছেন।

এছাড়া কমিটিতে উপদেষ্টা মণ্ডলী হিসেবে রয়েছেন
অধ্যাপক ড. মো: মনজুরুল হাসান (ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, জাবি),অধ্যাপক ড. মো: মনজুর ইলাহী (দর্শন বিভাগ, জাবি),অধ্যাপক ড. ডি এম শফিকুল ইসলাম (রসায়ন বিভাগ, জাবি),অধ্যাপক ড. মো: বাকীবিল্লাহ (প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, জাবি),অধ্যাপক ড. উম্মে সালমা যোহরা (বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, জাবি),জনাব ড. মো: সাইফুজ্জামান (সহযোগী অধ্যাপক, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, জাবি),জনাব জান্নাতুল ফেরদাউসী শেফা (প্রভাষক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, জাবি),জনাব আফরীনা হক রিমি (প্রভাষক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, জাবি),জনাব সুজিত কুমার ব্যানার্জী চন্দন (উপ-পরিচালক, শারিরীক শিক্ষা বিভাগ, জাবি),জনাব কৃষ্ণ প্রসাদ মন্ডল (আইটি অফিসার, ইন্সটিটিউট অফ রিমোট সেনসিং এন্ড জিআইএস, জাবি)। 

কমিটির নতুন সভাপতি তানভীর সিদ্দিকী সাইমুন বলেন, “সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশের একটি সনামধন্য জেলা। প্রতিবছর শত শত শিক্ষার্থী সাতক্ষীরা জেলা থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যায়। তারই প্রেক্ষিতে জাবিতেও এর সংখ্যা অনেক। শিক্ষার্থীদের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধাসহ সকলের কল্যাণে যা যা করা প্রয়োজন আমি আমার পক্ষ থেকে করবো।”