জামায়াতে ইসলামীর সংরক্ষিত নারী আসন ঘিরে দলটির ভেতরে সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। উত্তর-মধ্যাঞ্চল থেকে ডাক্তার তাহসিনা ফাতিমার নাম সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
দলীয় সূত্র জানায়, জামালপুর, শেরপুর ও টাঙ্গাইল অঞ্চলের একাংশ নেতাকর্মী তাকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চান। তাদের মতে, দীর্ঘ সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও আন্দোলন-সংগ্রামে সম্পৃক্ততা তাকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রাখছে।
ডা. তাহসিনা ফাতিমা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক দুইবারের কেন্দ্রীয় সভানেত্রী। ছাত্রজীবন থেকে সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মহানগরী পূর্বের সভানেত্রী ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবেও কাজ করেছেন। ২০২৩ ও ২০২৪ সালে পরপর দুইবার কেন্দ্রীয় সভানেত্রী নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত।
সমর্থকেরা দাবি করছেন, ২০১৮ সালে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কারাবরণের ঘটনাও তাকে ত্যাগী নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। ফলে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হলে উত্তর-মধ্যাঞ্চলে নারী নেতৃত্বের বিকাশ এবং সাংগঠনিক সমন্বয়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে আদর্শিক সম্পৃক্ততা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও আঞ্চলিক ভারসাম্য গুরুত্ব পায়। সেই বিবেচনায় তাহসিনা ফাতিমার নাম আলোচনায় থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।





