ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সভাপতি এস এম ফরহাদ জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো আবাসিক হলে শিবিরের রাজনৈতিক কমিটি নেই। তিনি বলেন, শিবির হলভিত্তিক নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক ছাত্ররাজনীতিতে বিশ্বাসী।
শনিবার (৯ আগস্ট) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ফরহাদ এসব কথা জানান। তিনি বলেন, শিবির শিক্ষার্থীদের চাহিদা ও মতামতের ভিত্তিতে সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে। গরমে হলে পানির ফিল্টার সরবরাহ, স্বাস্থ্য ক্যাম্পেইন ও নববর্ষে উপহার বিতরণসহ নানা উদ্যোগের সঙ্গে কিছু আবাসিক শিক্ষার্থী স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যুক্ত হয়। তবে কিছু পক্ষ প্রচার করছে, যেন শিবিরের প্রত্যেক হলে পূর্ণাঙ্গ কমিটি রয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুল।
তিনি জানান, শিক্ষার্থীরা যদি এসব সেবা নিতে না চায়, তাহলে তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। গতকাল মাস্টারদা সূর্য সেন হলে শিবিরের স্থাপন করা একটি পানির ফিল্টার ভাঙচুর হয়। রোকেয়া হলে দেওয়া শিবিরের ফিল্টার, ছাত্র অধিকার পরিষদের ভেন্ডিং মেশিন এবং ছাত্রদলের দেওয়া ডাস্টবিন বয়কটের ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।
ফিল্টার স্থাপন প্রসঙ্গে ফরহাদ বলেন, শিক্ষার্থীদের মতামত ও হল প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ফিল্টার বসানো হয়েছিল। এলামনাইদের অর্থায়নে এগুলো উপহার হিসেবে দেওয়া হয়। তবে শিক্ষার্থীরা ব্যবহার না করতে চাইলে তা সরিয়ে নেওয়া হবে।
ফরহাদ আরও বলেন, শিবির শিক্ষার্থীদের ম্যান্ডেট মেনে রাজনীতি করে এবং সংবিধানের বাইরে গিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেবে না। তিনি অভিযোগ করেন, ছাত্র ইউনিয়ন প্রথমে জগন্নাথ হলে কমিটি দেয়, তখন উমামা প্রতিবাদ করেনি।
এর আগে শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে গুপ্ত ও প্রকাশ্য সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে রাতভর বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। তারা অভিযোগ করেন, ছাত্রদলের পাশাপাশি শিবিরেরও কমিটি রয়েছে। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান হলগুলোতে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন।





