রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান, বনানী, বারিধারা ও ক্যান্টনমেন্ট নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জমান। পেশায় চিকিৎসক ও ব্যবসায়ী খালিদুজ্জমানের শুধু ব্যবসা থেকেই বার্ষিক আয় ৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা, যা তিনি নিজের নির্বাচনী হলফনামায় জানিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হলফনামায় ডা. খালিদুজ্জমান উল্লেখ করেছেন, ব্যবসা থেকে তার আয় ৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা। এছাড়া শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে তার বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৬৮ হাজার ৫২৭ টাকা।
হলফনামায় আরও বলা হয়েছে, তার হাতে নগদ ৬৮ লাখ ২৬ হাজার ১২০ টাকা এবং স্ত্রীর হাতে ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৫১০ টাকা রয়েছে। ব্যাংকে নিজের নামে ৩৩ লাখ ৭৯ হাজার ৩৬৩ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৭০২ টাকা জমা আছে। তার নামে বন্ড, ঋণপত্র ও কোম্পানির শেয়ার রয়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৫৯৫ টাকার, স্ত্রীর নামে ৯০ লাখ টাকার। এছাড়া নিজের নামে সঞ্চয়পত্র রয়েছে ১ কোটি ৩৬ লাখ ৮৯ হাজার ৬১৭ টাকা, স্ত্রীর নামে ৩৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
খালিদুজ্জমানের নামে খুলনার পাইকগাছায় ১২৮.৮৯ শতাংশ কৃষি জমি আছে। ঢাকায় নিজের নামে ২ কোটি ৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা সমমূল্যের এবং স্ত্রীর নামে ৯৭ লাখ ৩৯ হাজার ৫২০ টাকার বাড়ি বা এপার্টমেন্ট রয়েছে। এছাড়া নিজের নামে ২০ ভরি স্বর্ণ এবং স্ত্রীর নামে ৪০ ভরি স্বর্ণ রয়েছে। তার নিজের নামে গাড়ি রয়েছে ১৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা সমমূল্যের, স্ত্রীর নামে গাড়ির মূল্য ৪৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
অপরদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজের হলফনামায় জানিয়েছেন, তার মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার ১৮৫ টাকা, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা, যা মূলত শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, বন্ড ও ব্যাংক আমানত থেকে অর্জিত। তার নগদ ও ব্যাংক আমানত ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৮ টাকা, স্ত্রীর নামে ৬৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭৪৭ টাকা। এছাড়া তার নামে প্রায় ৯০ লাখ টাকার এফডিআর রয়েছে, স্ত্রীর নামে এফডিআর ৩৫ লাখ টাকা।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে তারেক রহমান আয়কর দিয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৪৫৩ টাকা এবং স্ত্রীর আয়কর হয়েছে ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৭১৩ টাকা।





