চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ বিদেশি উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ১১৫ কোটি ডলারের ঋণ ও সহায়তা পেয়েছে। তবে একই সময়ে আগে নেওয়া ঋণের সুদ ও আসল বাবদ পরিশোধ করতে হয়েছে আরও বেশি—১২৮ কোটি ডলার।

বৃহস্পতিবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইআরডির হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় এবার ঋণ শোধের পরিমাণ বেড়েছে, পাশাপাশি অর্থছাড় ও প্রতিশ্রুতিও বেড়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জুলাই-সেপ্টেম্বর মেয়াদে মোট ১১৪ কোটি ৮৫ লাখ ডলার এসেছে, যার প্রায় পুরোটাই ঋণ। অনুদান হিসেবে এসেছে মাত্র ১ কোটি ডলার, যা খাদ্য সহায়তার আওতায় পাওয়া গেছে। আগের বছর একই সময়ে ঋণ-সহায়তা মিলে এসেছিল প্রায় ৮৫ কোটি ডলার।

অন্যদিকে ঋণ পরিশোধে বেড়েছে সরকারের চাপ। এ সময়ের মধ্যে ৮২ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়েছে আসল হিসেবে এবং ৪৬ কোটি ডলার সুদ বাবদ। গত বছর একই সময়ে পরিশোধ হয়েছিল প্রায় ১১২ কোটি ডলার।

এ সময়ে নতুন বিদেশি ঋণের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে ৯১ কোটি ডলারের, যা আগের বছরের একই সময়ের পৌনে তিন কোটি ডলারের তুলনায় অনেক বেশি।