ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রথম দুই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ক্ষতি প্রায় ৩.৮৪ বিলিয়ন ডলার পৌঁছেছে, তুরস্কের সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর বিশ্লেষণে জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার রাডার ধ্বংস হওয়ার কারণে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান ও সৌদি আরবে থাকা থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চারটি রাডার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার।
কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে থাকা একটি সতর্কতামূলক রাডার ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মূল্য প্রায় ১.১ বিলিয়ন ডলার।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ১১টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ধ্বংস হয়েছে। প্রতিটির দাম প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলার, ফলে মোট ক্ষতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৩০ মিলিয়ন ডলার।
কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভুলবশত হামলায় তিনটি এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়, যার ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২৮২ মিলিয়ন ডলার।
ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে একটি কেসি-১৩৫ জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান বিধ্বস্ত হলে ছয় মার্কিন সেনা নিহত হন। বিমানটির মূল্য প্রায় ৮০ মিলিয়ন ডলার।
এছাড়া বাহরাইনের মানামায় যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরেও ইরানের হামলায় কিছু যোগাযোগ সরঞ্জাম ও স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে।
সব মিলিয়ে, চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ক্ষতির পরিমাণ এখন পর্যন্ত প্রায় ৩.৮৪ বিলিয়ন ডলার বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।





