ক্রিসমাসের ছুটিতে নিজের ওজন বাড়িয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গার্দিওলা। তার ওজন প্রায় চার-পাঁচ কেজি বেড়েছে। তবে নিজের ওজন বাড়লেও দলের খেলোয়াড়রা ছুটিতে সুশৃঙ্খল ছিলেন বলে জানান তিনি। এ নিয়ে গার্দিওলার কোনো সন্দেহ রাখেননি।
বরং দলের শৃঙ্খলাকে দিয়েছেন লেটার মার্ক। গার্দিওলা বলেন, ‘গত এক দশক ধরেই খেলোয়াড়দের শৃঙ্খলা ছিল অবিশ্বাস্য রকমের।’ নটিংহাম ফরেস্টের বিপক্ষে ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের ফিটনেস যাচাই করতে ছুটি শেষে সিটির ফুটবলারদের ওজন মাপা হয়েছিল।
ছুটিতে খাওয়া দাওয়া করে ওজন বাড়ানো গার্দিওলা মজা করে বলেন, ‘আমি নিজে তো চার-পাঁচ কেজি ওজন বাড়িয়েছি- খাওয়া-দাওয়ার জন্য। তবে খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে বিষয়টা আলাদা।’ তিনি জানান, গত মৌসুমে চোটের কারণে পরিস্থিতি কিছুটা কঠিন হলেও খেলোয়াড়দের আচরণ ও পেশাদারিত্ব নিয়ে কখনো প্রশ্ন ওঠেনি। গার্দিওরা বলেন, ‘এই ক্লাবে একটা স্পষ্ট মানদণ্ড আছে। সবাই জানে, কী করতে হবে।’
গত ২০ ডিসেম্বর ওয়েস্টহামের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ের আগেও খেলোয়াড়দের ওজন নেওয়া হয়েছিল, যেখানে সবাই নির্ধারিত মান পূরণ করেছিলেন। গত বৃহস্পতিবার স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্দ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ৯৪.৪ কেজি ওজনের ছবি শেয়ার করে লেখেন-‘সব ঠিক আছে!’
২০১৬ সালে ওজনজনিত কারণে কয়েকজন খেলোয়াড়কে অনুশীলন থেকে বাদ দিয়েছিলেন গার্দিওলা। ২০২৪ সালে এসে তিনি কালভিন ফিলিপসকে নিয়ে করা ‘ওজন বেশি’ মন্তব্যের জন্য দুঃখও প্রকাশ করেন।
নটিংহাম ফরেস্টকে হারাতে পারলে স্বল্প সময়ের জন্য হলেও শীর্ষে উঠতে পারে সিটি। এতে ব্রাইটনের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে চাপে থাকবে আর্সেনাল। এ নিয়ে গার্দিওলা বলেন, ‘আমি চাই সবাই থেকে ১০ পয়েন্টে এগিয়ে থাকতে, কিন্তু বাস্তবতা যা আছে তাই। ডিসেম্বরের শেষেই আমরা লীগ, চ্যাম্পিয়নস লীগ, কারাবাও কাপ-সব প্রতিযোগিতায় ভালো অবস্থানে আছি।’
জানুয়ারির ট্রান্সফার উইন্ডো নিয়েও নতুন ঘোষণা দিয়ে রাখেন গার্দিওলা। বোর্নমাউথের ফরোয়ার্ড আঁতোয়ান সেমেনিওকে দলে ভেড়াতে জোড়ালো আলোচনা চলছে সিটির। এ নিয়ে স্প্যানিশ কোচ বলেন, ‘গত মৌসুম শুরুতে ভাবিনি, এতজন চোটে পড়বে। তাই জানুয়ারিতে কী হবে বলা মুশকিল-সবই সম্ভব।’





