নাগরিক ঐক্য বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতা না হওয়ায় এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। দলটি বলেছে, তারা দলীয় প্রতীক ‘কেটলি’ নিয়ে ১১টি আসনে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।


\r\n

দলের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না ঢাকা-১৮ (বৃহত্তর উত্তরা) ও বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নিজেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তার সঙ্গে আরও নয়জন নেতা দলের বিভিন্ন আসনে প্রার্থী হয়েছেন। এতে রয়েছেন রংপুর-৫ আসনের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাখখারুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ-১ আসনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুস সাকিব আনোয়ার, জামালপুর-৪ আসনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. কবির হাসান, পাবনা-৪ আসনের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক শাহনাজ রানু, চট্টগ্রাম-৯ আসনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য স্বপন মজুমদার, চাঁদপুর-২ আসনের এনামুল হক, কুড়িগ্রাম-২ আসনের মেজর (অব.) আব্দুস সালাম, রাজশাহী-২ আসনের মোহাম্মদ সামছুল আলম ও লক্ষ্মীপুর-২ আসনের মোহাম্মদ রেজাউল করিম।


\r\n

মাহমুদুর রহমান বলেন, বিএনপি তাকে বগুড়া-২ আসনে আনুষ্ঠানিক সমর্থন দিয়েছে, কিন্তু পরে দল সেখানে অন্য প্রার্থী নিয়েছে। পরিস্থিতি বুঝে তিনি ঢাকা-১৮ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তকে ‘রাজনীতি আগে, মন্ত্রিত্ব পরে’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।


\r\n

তিনি আরও বলেন, “বিএনপি আমাকে মন্ত্রী বানানোর প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু আমি রাজনীতি ছাড়ব না। নির্বাচন ছাড়াই মন্ত্রী হওয়া সদকার মতো হবে।”


\r\n

নাগরিক ঐক্য ২০১৩ সালের পর থেকে বিএনপির সঙ্গে বিভিন্ন সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়েছে। ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক হিসেবে দলটি পাঁচটি আসনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। পরবর্তীতে ২০২২ সালে গঠিত গণতন্ত্র মঞ্চেও তারা অংশ নিয়েছে। তবে এবারের আসন সমঝোতায় নাগরিক ঐক্যের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি, যা দলের একক নির্বাচনের ঘোষণা প্রেক্ষাপট হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।