ইসরায়েলি বাহিনী আজ বৃহস্পতিবার (২২ মে) ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় হামলা চালিয়ে ৩৮ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। হামলা অব্যাহত থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আলজাজিরা খবর দিয়েছে, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
\r\nইসরায়েলি বাহিনী গাজা শহরের উত্তরাঞ্চলীয় জাবালিয়া আল-বালাদ এলাকায় দুটি বাড়িতে আঘাত হানে। ওই বাড়িগুলোর ধ্বংসস্তূপ থেকে এখন পর্যন্ত ১৩টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া আশঙ্কা করা হচ্ছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মরদেহ চাপা পড়ে থাকতে পারে। আলজাজিরার সাংবাদিক পূর্ব গাজার তুফাহ এলাকার আল-নাখল সড়ক থেকে জানিয়েছেন, ওই এলাকায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
\r\nফিলিস্তিনিদের মৃত্যু হলেও, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু গতকাল রাতে এক বিবৃতিতে বলেন, তারা হামাসের সঙ্গে স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি নন এবং গাজা পুরোপুরি দখল করবেন। তবে, তিনি স্বীকার করেন যে, হামাসের হাতে এখনও কিছু ইসরায়েলি বন্দি রয়েছে এবং তাদের মুক্তি নিয়ে আলোচনা করার জন্য স্বল্প সময়ের জন্য যুদ্ধবিরতি হতে পারে। নেতানিয়াহু বলেন, “গাজায় অন্তত ২০ জন ইসরায়েলি বন্দি জীবিত রয়েছে এবং আরও ৩৮ জন নিহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বন্দিদের মুক্তির জন্য আমরা যুদ্ধবিরতি বিবেচনা করতে পারি।”
\r\nতবে, হামাস প্রথম থেকেই অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা বলেছে, \"যদি দখলদাররা তাদের বন্দিদের মুক্তি চায়, তবে গাজা থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহার করতে হবে, উপত্যকায় ত্রাণ প্রবাহিত করতে দিতে হবে এবং স্থায়ী যুদ্ধবিরতির চুক্তি করতে হবে।\"
\r\nগাজায় চলমান এই হামলা ও সংঘর্ষের ফলে মানবিক সংকট আরও গভীরতর হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান থাকলেও, পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে।





