জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ না করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে আওয়ামী লীগ সেই দলটির রূপ ধারণ করে ফের ক্ষমতায় ফেরার চেষ্টা করবে বলে মন্তব্য করেছেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।
সোমবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে দলের আয়–ব্যয় বিবরণী জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
রাশেদ খান বলেন, \"আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কোনো সহযোগীও অংশ নিতে পারবে না। জনগণের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে—আওয়ামী লীগের নেতারা স্বতন্ত্রভাবে প্রার্থী হতে পারবেন কি না।\"
তিনি জানান, এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন তাঁদের আশ্বস্ত করেছেন যে, আওয়ামী লীগের পদে থাকলে কেউই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
তবে গণ অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের কাছে আরও জানতে চাওয়া হয়েছে, ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনে যেসব সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের কোনো পদে নেই কিন্তু ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন, তারা কি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন? এ প্রসঙ্গে সিইসি বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবেন বলে জানিয়েছেন।
রাশেদ খান আরও বলেন, “আমরা নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছি, জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলও ছিল এই ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার প্রধান সহযোগী। তাই প্রশ্ন রেখেছি—তাদের নিবন্ধন কেন আওয়ামী লীগের মতো স্থগিত করা হবে না?”
গণ অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে নির্বাচনি কমিশনে জমা দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দলের মোট আয় ছিল ৪৬ লাখ ৯ হাজার ৩০০ টাকা এবং ব্যয় ছিল ৪৫ লাখ ৯৬ হাজার ৮৮ টাকা।
আয়–ব্যয়ের বিবরণী জমা দিতে রাশেদ খানের সঙ্গে ছিলেন দলটির উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ এবং উচ্চতর পরিষদ সদস্য মাহবুব জনি।





