গাজায় ভয়াবহ মানবিক সংকট চলছে এবং আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জরুরি ত্রাণ সহায়তা না পৌঁছালে অন্তত ১৪,০০০ শিশু মৃত্যুর মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা প্রধান টম ফ্লেচার।
\r\nমঙ্গলবার (২০ মে) ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি রেডিও ৪-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরাইল সীমিত পরিমাণে যে ত্রাণ প্রবেশ করতে দিচ্ছে, তা এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে একেবারেই অপ্রতুল।
\r\nটম ফ্লেচার বলেন, “ইসরাইলি সরকারের ঘোষিত ত্রাণ শিথিলতার পরেও গাজায় কার্যত কোনো পরিবর্তন আসেনি। সোমবার মাত্র পাঁচটি ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করেছে, যা সমুদ্রের একফোঁটার মতো। এসব ট্রাকে শিশু খাদ্য ও পুষ্টিকর সামগ্রী থাকলেও তা এখনও সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছায়নি—সীমান্তবর্তী এলাকাতেই আটকে আছে।”
\r\nতিনি আরও বলেন, “আমার প্রধান লক্ষ্য, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যত বেশি সম্ভব শিশুকে রক্ষা করা। আমাদের মাঠ পর্যায়ে শক্তিশালী টিম রয়েছে, যারা হাসপাতাল ও আশ্রয়কেন্দ্রে জরুরি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। যদিও তাদের অনেকেই হামলায় নিহত হয়েছেন, তবুও আমরা এখনো সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”
\r\nপ্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি ১১ সপ্তাহ ধরে চলা ত্রাণ অবরোধ আংশিক শিথিলের ঘোষণা দেন। তবে মানবিক সংস্থাগুলোর দাবি, বাস্তবে তার প্রয়োগ অত্যন্ত সীমিত, যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।
\r\nজাতিসংঘ বলছে, এই মুহূর্তে গাজায় খাদ্য, পানি ও চিকিৎসাসেবার অভাব চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। শিশু ও অসহায় জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।





