ইরান দাবি করেছে, তাদের বিধ্বস্ত হওয়া মার্কিন পাইলটকে উদ্ধারের নামে চালানো অভিযানটি আসলে দেশটির সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম চুরির একটি গোপন পরিকল্পনা ছিল। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেন, রোববার মার্কিন বাহিনী যে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেছে, তার আসল উদ্দেশ্য ছিল ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু স্থাপনা থেকে সম্পদ হাতিয়ে নেওয়া।
এর আগে শনিবার ইরানের ইসফাহান প্রদেশে একটি মার্কিন বিমান ও হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। ধ্বংসাবশেষের ছবি ও ভিডিও ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ঘটনাকে সাধারণ উদ্ধার অভিযান হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে ইরান এটিকে ‘ছদ্মবেশী অপারেশন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তাদের মতে, উদ্ধার অভিযানের আড়ালে বিশেষ কমান্ডো বাহিনী পাঠিয়ে কৌশলগত পরমাণু ভাণ্ডারে আঘাত হানার চেষ্টা করা হয়েছিল।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, এই অভিযান আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং সরাসরি সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত। তারা অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে পরমাণু ইস্যুতে চাপে ফেলতেই এই ঝুঁকিপূর্ণ ও উস্কানিমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে।
এখন পর্যন্ত মার্কিন প্রশাসন বা পেন্টাগনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই অভিযোগ দুই দেশের মধ্যকার উত্তপ্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও বিপজ্জনক করে তুলতে পারে।
সূত্র: ডেইলী সাবাহ্





