পাখির খাদ্য হিসেবে পাকিস্তান থেকে আমদানি করা ৩২ টনের পণ্যের মধ্যে ২৫ টন নিষিদ্ধ পপি বীজ চট্টগ্রাম কাস্টমস জব্দ করেছে। দুটি কনটেইনারে চালানটি চট্টগ্রামের কোরবানিগঞ্জের মেসার্স আদিব ট্রেডিং নামের প্রতিষ্ঠান আমদানি করেছিল।
কাস্টমসের উপকমিশনার এইচ এম কবির জানান, অঙ্কুরোদগমের উপযোগী হলে পপি বীজ মাদক হিসেবে গণ্য হয়। সরকারের আমদানি নীতি অনুযায়ী এই বীজ আমদানি নিষিদ্ধ। জব্দকৃত বীজের বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কাস্টমস জানিয়েছে, আমদানির নথিতে ৩২ টন পাখির খাদ্যের কথা উল্লেখ থাকলেও চালান পরীক্ষা করে দেখা গেছে, এর মধ্যে সাত টন পাখির খাদ্য এবং ২৫ টন পপি বীজ রয়েছে। কনটেইনারের দরজার মুখে পাখির খাদ্যের বস্তা রাখা হয়েছিল যাতে কর্মকর্তাদের চোখ ফাঁকি দেওয়া যায়, কিন্তু ভেতরে পপি বীজ লুকানো ছিল।
চালান দুটি ৯ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দরে নামানো হয় এবং খালাসের জন্য বেসরকারি ডিপো ছাবের আহম্মেদ টিম্বার কোম্পানি লিমিটেডে নেওয়া হয়েছিল। তবে গোয়েন্দাদের তথ্য পাওয়ার পর কাস্টমস কর্মকর্তারা খালাস স্থগিত করেন এবং পরীক্ষার উদ্যোগ নেন। ২২ অক্টোবর কনটেইনার দুটি খোলা হলে পণ্যের নমুনা তিনটি পরীক্ষাগারে পাঠানো হয় এবং নিশ্চিত হয় যে তা পপি বীজ।
উপকমিশনার এইচ এম কবির বলেন, “এ ধরনের পপি বীজকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী ‘ক’ শ্রেণির মাদক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আমদানিকারকের আগের চালানও খতিয়ে দেখা হবে এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”





