রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের চেষ্টা করে এমন অভিযোগে দুইজনকে আটক করেছে। অভিযানে তাদের কাছ থেকে তিনটি মোবাইল ফোন এবং একাধিক উন্নতমানের ডিজিটাল ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে।

\r\n

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে নগরীর পুলিশ লাইন সংলগ্ন ক্যাপ্টেন ব্যাকোলজি মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় গোলাম কিবরিয়া ও সুমন চন্দ্রকে। পরে বিকেলে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান।

\r\n

ডিবি পুলিশ জানায়, আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে তারা পরীক্ষা জালিয়াতির পরিকল্পনা করছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা স্বীকার করেছে যে তারা পরীক্ষার্থী বা অন্যদের কাছে ডিজিটাল ডিভাইস সরবরাহের উদ্দেশ্যে ওই এলাকায় অবস্থান করছিল। উদ্ধারকৃত ডিভাইস পরীক্ষা করে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

\r\n

উল্লেখ্য, আটক ব্যক্তিদের সঙ্গে একটি বৃহৎ প্রশ্নপত্র ফাঁসকারী চক্রের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। বিষয়টি নিশ্চিত করতে তাদের নিয়ে পরবর্তী অভিযান পরিচালনা করা হবে।

\r\n

এদিকে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত গুজব নিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। তারা জানিয়েছে, শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দেশের ৬১ জেলায় অনুষ্ঠিতব্য সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হবে এবং প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। পরীক্ষার্থীদের দালাল ও প্রতারকচক্রের সঙ্গে কোনো আর্থিক লেনদেন না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।