জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, “বাংলাদেশে কোনো ভারতীয় আধিপত্যবাদ চলবে না। জনগণের চেতনায় গড়া স্বাধীন রাষ্ট্রে বিদেশি প্রভাব কিংবা আধিপত্যের কোনো স্থান নেই।”
শনিবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় মহাসমাবেশে বক্তব্য রাখেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, “আমরা অভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকারকে এমন একটি সরকার হিসেবে দেখতে চাই, যেটি হবে জনগণের সরকার—সুশীলদের মুখোশধারী নয়। সেই সরকার নারী অধিকার, সংখ্যালঘুদের অধিকার ও জনগণের মৌলিক চাহিদাগুলো নিশ্চিত করবে।”
তিনি আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তিগুলোর মধ্যে ঐক্য এখন সময়ের দাবি। তবে কেউ যদি এই আন্দোলনের নামে চাঁদাবাজি বা স্বার্থসিদ্ধির চেষ্টা করে, আমরা তা স্পষ্টভাবে বলব। কারণ এই আন্দোলন কোনো ব্যক্তির নয়, এটি একটি আদর্শিক লড়াই।”
এদিন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতের ডাকা জাতীয় সমাবেশে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত হন। সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় আনুষ্ঠানিকতা। সমাবেশের প্রথম অংশে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার পর দুপুর ১টা ২০ মিনিটে নামাজ ও বিশ্রামের জন্য বিরতি দেওয়া হয়। দুপুর ২টা থেকে শুরু হয় সমাবেশের মূল পর্ব, যেখানে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দেন।
জামায়াতের পক্ষ থেকে সমাবেশে দেশের বিভিন্ন ডানপন্থি ও ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে ছিল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, গণঅধিকার পরিষদসহ আরও কয়েকটি দল।
সমাবেশের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি’সহ সাত দফা দাবির বাস্তবায়ন।





