চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: কেন্দ্রীয় বিএনপির উপ-কোষাধ্যক্ষ চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি ও বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি(বিজিএমইএ)এর পরিচালক মাহমুদ হাসান খান (বাবু)বলেন,বিএনপির ৩১ দফা পরিকল্পনার উদ্দেশ্য হলো দেশে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।তারেক রহমান ঘোষিত বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি কেবল সরকার পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি নয়, বরং রাষ্ট্র পরিচালনার প্রায় সব দিক জুড়ে একটি ব্যাপক সংস্কার পরিকল্পনা। রবিবার(৯)নভেম্বর বিকেল ৪ টায় চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন,বিএনপি সতের বছর আন্দোলন সংগ্রাম করেছে এদেশের ভোটারদের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে।বিভিন্ন আন্দোলনের সময় বিএনপি'র নেতাকর্মীরা অনেক অত্যাচার, নিপীড়ন, নির্যাতন সহ্য করেছে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের অবৈধ প্রলোভন ও নির্যাতনের পরও ইমানদারির পরীক্ষা দিয়ে মাটি কামড়ে আমরা বিএনপি করে আসছি। আমাদের নেতা তারেক রহমান বিএনপি'র নেতাকর্মীদের ৩১ দফা বাস্তবায়নের জন্য মনোযোগী হতে বলেছেন। এই ৩১ দফা বাস্তবায়ন করে আমাদের দায়িত্ব ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী করা।
মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন,বিএনপি ক্ষমতায় গেলে একটি জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন করা হবে। ক্ষমতার দাপট দেখানোর সুযোগ কেউ পাবে না। জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস সেটি আমরা বাস্তবে প্রমাণ করব।
তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। একজন ওয়ার্ড সদস্য থেকে শুরু করে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, সংসদ সদস্য কিংবা পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ সবাইকে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন,চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিলটন, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আলতাফ হোসেন, সীমান্ত ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি ওসমান গনি, সাধারণ সম্পাদক বদরুদ্দিন বাদল, সাংগঠনিক সম্পাদক আইয়ুব আলী, উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব কামরুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আল হাসান মোহাম্মদ আবু তালেব, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব রিমন প্রমুখ।





