হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি রেজাউল হাসান-এর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এর আগে দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ৩১ মার্চ পদত্যাগ করেন বিচারপতি রেজাউল হাসান (এম আর হাসান)। ওইদিন তিনি প্রধান বিচারপতির কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে সেটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়।
তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের তদন্ত চলছিল সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২ ডিসেম্বর বনানী ইউ-লুপ এলাকায় এক ট্রাফিক দুর্ঘটনার ঘটনায় তার ছেলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। সে সময় মামলা না নেওয়া এবং প্রভাব খাটানোর অভিযোগও ওঠে।
এছাড়া হাইকোর্ট বিভাগের কোম্পানি বেঞ্চে দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে রায় পরিবর্তনের জন্য অর্থ গ্রহণের অভিযোগসহ একাধিক অনিয়মের অভিযোগ জমা পড়ে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে সুপ্রিম কোর্টের কয়েকজন বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে তদন্ত শুরু হলে, রেজাউল হাসানও সেই তালিকায় ছিলেন।
তদন্তে প্রাথমিকভাবে অনিয়মের ইঙ্গিত পাওয়ার পর তাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তিনি গত ৩১ মার্চ পদত্যাগ করেন।
রাষ্ট্রপতির এই পদত্যাগপত্র গ্রহণের মধ্য দিয়ে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হলো।





