কুঁড়েঘর ব্যান্ডের গায়ক তাসরিফ খান সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের জন্য সর্বদা প্রশংসিত। দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা দুর্ঘটনায় তিনি ছুটে যান এবং গান ছাড়াও অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে তার সক্রিয় উপস্থিতি চোখে পড়ে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনেও সরব ছিলেন তাসরিফ।
শনিবার নিজের ফেসবুক পেজে তাসরিফ খান একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট দেন, “আলহামদুলিল্লাহ! একেবারে ছোট পরিসরেই সব হয়েছে। সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে আপনাদের জানাব।” পোস্টটি দেখে নেটিজেনদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। কেউ ভাবছেন হয়তো তাসরিফ বিয়ে করেছেন, তবে নিজেই মন্তব্যে লেখেন, “এত ভাগ্যবানও হইনি যে শীত আসার আগেই আমার বিয়ে হয়ে যাবে।”
এর আগে শোনা গিয়েছিল তাসরিফ দেশ ছাড়বেন। তবে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, “দেশের জন্য সারাজীবন কিছু করতে চাই। ছোটবেলা থেকেই বিদেশের কথা শুনলেও ভালো লাগত না। এখন দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট দেখে মনে হচ্ছে অনেক কষ্টের হলেও আমি থাকতে চাই।” তিনি আরও বলেন, “আমার ইচ্ছা হলো হয়তো আগামী দুই-তিন বছর পর দেশের বাইরে চলে যেতে পারি, কিন্তু দেশের সেবা করার জন্য বড় কিছু হওয়া দরকার নেই।”
তাসরিফের গানের যাত্রা শৈশব থেকেই। যদিও ছোটবেলায় লাজুক ছিলেন, তবুও মুঠোফোনে ‘নিধুয়া পাথারে…’ গানটি রেকর্ড করে ফেসবুকে পোস্ট করেন। সেখানে প্রায় ৯০ জন ইতিবাচক মন্তব্য দিলে তার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়।
তার প্রথম জনপ্রিয় গান ‘মধ্যবিত্ত’ তাকে রাতারাতি শ্রোতাদের কাছে পরিচিতি এনে দেয়। এরপর ‘তুমি মানে আমি’, ‘ময়না রে’, ‘তাই তো আইলাম সাগরে’, ‘ব্যাচেলর’, ‘রাজার রাজ্যে সবাই গোলাম’ গানগুলো তাকে আলোচনায় নিয়ে আসে।





