টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর বেশি দেরি নেই। আগামী বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি পর্দা উঠবে দশম আসরের। সেই টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে শেষ প্রস্তুতি হিসেবে আজ আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচটি চট্টগ্রামে, শুরু সন্ধ্যা ৬টায়।
এ বছর এশিয়া কাপে অংশ নেওয়াসহ মোট আটটি সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। জিতেছে চারটিতে। সফলতার হার অর্ধেক হলেও এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠতে পারেনি লাল–সবুজরা। আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করলেও একই ভেন্যুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ধবলধোলাই হওয়া দলকে এখনো পুরোপুরি নিশ্চিন্ত হতে দিচ্ছে না।
তার ওপর নতুন অস্থিরতা যোগ হয়েছে লিটন দাসের মন্তব্যে। সিরিজের আগেরদিন সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, দল গঠনে নির্বাচকেরা তার সঙ্গে কোনো আলোচনা করেননি। বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টের আগে এমন পরিস্থিতি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে দলের প্রস্তুতি নিয়ে।
তবে মাঠের ব্যাপারে লিটন আত্মবিশ্বাসী। ব্যাটিংসহায়ক উইকেটে মিডল অর্ডার ঘুরে দাঁড়াবে বলেই তার আশা। তিনি বলেন, “মিডল অর্ডার নিয়ে খুব একটা চিন্তা নেই। শেষ কয়েক সিরিজে প্রত্যাশা মতো না খেললেও সবাই অভিজ্ঞ। আমি বিশ্বাস করি, এই সিরিজে তারা ভালো করবে।”
চট্টগ্রামের উইকেট সাধারণত ব্যাটসম্যানদের পক্ষে থাকে। শীতের শিশিরে ব্যাটিং আরও সহজ হতে পারে। তাই বড় রানই হবে মূল লক্ষ্য।
টি-টোয়েন্টিতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে পরিসংখ্যানও বাংলাদেশকে সাহস দিচ্ছে। এখন পর্যন্ত আট ম্যাচের পাঁচটিতেই জিতেছে টাইগাররা। সর্বশেষ জয়টাও এসেছে ২০২৩ সালে চট্টগ্রামেই।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে চাপে পড়েছিলেন খেলোয়াড়েরা। তবু লিটনের মত, কঠিন পরিস্থিতি থেকেই দল শেখে। তিনি বলেন, “আমি চাই ছেলেরা চাপের মধ্যে পড়ুক। তবে এবার চেষ্টা করব, কঠিন সময় থেকে বের হয়ে যেন ম্যাচ জিততে পারি।”
\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n
সিরিজের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচ ২৯ নভেম্বর ও ২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।





