নিরাপত্তা জটিলতার কারণে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল বাংলাদেশ। এ নিয়ে ভারত, বাংলাদেশ ও আইসিসির মধ্যে ত্রিমুখী আলোচনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত আইসিসি জানিয়েছে, বিশ্বকাপ খেলতে হলে বাংলাদেশকে ভারত সফরে যেতে হবে; না হলে বিকল্প দল নিয়ে টুর্নামেন্ট চালানো হবে।
আইসিসি বোর্ড সভার পর জানা গেছে, বাংলাদেশ যদি ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের ম্যাচ খেলতে ভারত সফরে যেতে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে বাংলাদেশকে বদলে অন্য একটি দলকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বোর্ডের অধিকাংশ সদস্য বিকল্প দল অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। আইসিসিকে নিজেদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করে জানাতে বিসিবিকে আরও একদিন সময় দেওয়া হয়েছে।
যদি বাংলাদেশ সরে দাঁড়ায়, তাহলে গ্রুপ ‘সি’-তে বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। স্কটল্যান্ড ইউরোপীয় বাছাইপর্বে নেদারল্যান্ডস, ইতালি ও জার্সির পেছনে চতুর্থ হওয়ায় সরাসরি জায়গা করে নিতে পারেনি।
আইসিসির বৈঠকে সব পূর্ণ সদস্য দেশের পরিচালকরা অংশ নিয়েছেন। উপস্থিত ছিলেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ, বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম, বিসিসিআই সচিব দেবজিত সাইকিয়া, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট সভাপতি শাম্মি সিলভা, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড চেয়ারম্যান মহসিন নকভি, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার চেয়ারম্যান মাইক বেয়ার্ড, জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট সভাপতি তাভেঙ্গা মুকুহলানি, ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ সভাপতি কিশোর শ্যালো, ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড চেয়ারম্যান ব্রায়ান ম্যাকনাইস, নিউজিল্যান্ড প্রতিনিধি রজার টুইজ, ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান রিচার্ড থম্পসন, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিনিধি মোহাম্মদ মুসাজি ও আফগানিস্তান ক্রিকেট চেয়ারম্যান মিরওয়াইস আশরাফ।
এর আগে, বুধবার রাতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) বিসিবির দৃঢ় অবস্থানের সমর্থন জানিয়ে আইসিসিকে চিঠি পাঠায়। ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে বিসিবি শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। বৈঠকটি সেই জটিলতা সমাধানের জন্য অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে শুরু হবে। লিগ পর্বে বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ কলকাতায় এবং একটি মুম্বাইয়ে হওয়ার কথা। সূচি অনুযায়ী কলকাতায় ম্যাচগুলো ৭, ৯ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি এবং মুম্বাইয়ে শেষ ম্যাচ ১৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।





