সয়াবিন ও পাম তেলের দাম বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ব্যবসায়ীদের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও এখনো নির্ধারিত হয়নি কত টাকা বাড়ানো হবে।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের সভাপতিত্বে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও তেল আমদানিকারক-পরিশোধনকারী ব্যবসায়ীদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভাস্থল ছিল বস্ত্র ও পাঠ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে।
বৈঠক শেষে বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, “ব্যবসায়ীরা যে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে, তা আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় অনেক বেশি। বিষয়টি আমরা পর্যালোচনা করছি। আগামী সপ্তাহে আবার বৈঠকে বসে মূল্য বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
এর আগে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন সয়াবিন ও পাম তেলের দাম প্রতি লিটারে ১০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টন সয়াবিন তেলের দাম বেড়ে ১,২০০ ডলার ছাড়িয়েছে, যার প্রভাব পড়ছে দেশীয় বাজারেও।
বর্তমানে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৮৯ টাকা এবং পাম তেলের দাম ১৬৯ টাকা। এই মূল্যহার সর্বশেষ নির্ধারণ করা হয় গত ১৩ এপ্রিল।
এদিকে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) ভোজ্যতেলের দাম যৌক্তিকভাবে সমন্বয় করতে কাজ করছে বলে জানিয়েছে একটি সূত্র।





