অনেকের ধারণা, মস্তিষ্কে টিউমার মানেই ক্যানসার। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এটি সঠিক নয়। মস্তিষ্কে টিউমার হতে পারে দুই ধরনের-বিনাইন (অক্ষতিকর) ও ম্যালিগন্যান্ট (ক্ষতিকর বা ক্যানসারজনিত)।
অধ্যাপক ও রেডিয়েশন ও মেডিক্যাল অনকোলজিস্টের মতে, “সব টিউমার ক্যানসার নয়। বিনাইন টিউমার সাধারণত ধীরগতিতে বৃদ্ধি পায় এবং শরীরের অন্য অংশে ছড়ায় না। সময়মতো অস্ত্রোপচার করলে রোগী পুরোপুরি সুস্থ হতে পারেন।”
তবে টিউমার যদি মস্তিষ্কের সংবেদনশীল অংশে থাকে, তা চাপ সৃষ্টি করে মাথাব্যথা, দৃষ্টিবিভ্রম বা চলাফেরায় সমস্যা তৈরি করতে পারে। তবুও একে ক্যানসার বলা যায় না, কারণ এটি শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে না।
অন্যদিকে, ম্যালিগন্যান্ট টিউমারই আসল ক্যানসার। এটি কোনো আবরণ দ্বারা সীমাবদ্ধ নয়, দ্রুত বাড়ে এবং আশপাশের টিস্যু ও অন্য অঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে। অনেক সময় ফুসফুস, থাইরয়েড, কিডনি বা স্তনের ক্যানসার রক্তের মাধ্যমে মস্তিষ্কে ছড়িয়ে গিয়ে ‘মেটাস্টাটিক টিউমার’ তৈরি করে।
মস্তিষ্কে ক্যানসার হলে দেখা দিতে পারে
তীব্র মাথাব্যথা, বমি, খিঁচুনি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, প্যারালাইসিস, কথা বন্ধ হয়ে যাওয়া ও দ্রুত ওজন হ্রাসের মতো উপসর্গ।
চিকিৎসকরা সতর্ক করছেন-
“দ্রুত শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু করাই বাঁচার মূল চাবিকাঠি।”
চিকিৎসায় সাধারণত ব্যবহার করা হয় অস্ত্রোপচার, রেডিওথেরাপি, কেমোথেরাপি এবং প্রয়োজনে ফিজিও, স্পিচ ও অকুপেশনাল থেরাপি। সঠিক সময়ে চিকিৎসা নিলে অনেক রোগী দীর্ঘদিন সুস্থ জীবনযাপন করতে পারেন।
চেম্বার: আল-রাজি হাসপাতাল, ফার্মগেট, ঢাকা
হটলাইন: ০১৭৪৫৩৪৯৪১০, ০১৭৩২৪২৯৩৯০





