মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ শুরু করেছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, শহর ও গ্রামে মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিতের পাশাপাশি মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা এবং রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হবে।

সোমবার (৬ এপ্রিল) ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ পৃথিবী গড়ার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশেও দিবসটি উদ্‌যাপিত হচ্ছে। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘স্বাস্থ্যসেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ’।

তিনি ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, মানুষ, প্রাণিকূল ও পরিবেশের সুস্থতা পরস্পরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। এ কারণে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সবার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির ব্যবহার এখন সময়ের দাবি। দ্রুত ও নির্ভুল রোগ নির্ণয় এবং কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ও মেশিন লার্নিংয়ের মতো আধুনিক প্রযুক্তির প্রসার জরুরি।

তিনি জানান, সরকার ‘প্রতিরোধ উত্তম’ নীতিতে বিশ্বাস করে এবং ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে পর্যায়ক্রমে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে, যার বেশিরভাগই নারী।

এছাড়া ই-হেলথ কার্ড চালু, স্বাস্থ্যবিমা সম্প্রসারণ, পাবলিক-প্রাইভেট অংশীদারত্বের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা উন্নয়ন, চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণা জোরদারসহ বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি সুস্থ ও সবল জাতি গঠন সম্ভব। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে তিনি সবাইকে শুভেচ্ছা জানান এবং সংশ্লিষ্ট সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।