সাত কলেজ ইস্যুটি চূড়ান্তভাবে মীমাংসিত এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার সম্মতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটা মীমাংসিত বিষয় এবং এটাতে সবাই সম্মতি দিয়েছেন। শিক্ষাঙ্গণ এখন খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস। এখানে কোনো কিছু হুটহাট আমরা হাত দেব না।
সোমবার (২ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সাত কলেজ নিয়ে নতুন করে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি আগেই নিষ্পত্তি হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে তাৎক্ষণিক বা অস্থির কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের নেই। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে। যেসব বিষয় ইতোমধ্যে সমাধান হয়েছে, ভবিষ্যতে সেগুলো আরও উন্নত করার দরকার হলে সেটিও পরিকল্পিতভাবেই করা হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগপত্র প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান দাপ্তরিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্দিষ্ট একটি সময় পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে। সাময়িকভাবে পরবর্তী দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে দায়িত্ব যাবে এবং পরে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সেরা পদ্ধতি ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, একটি বড় ও স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগে বৈশ্বিক সেরা চর্চা কী, সে তথ্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যাতে সিদ্ধান্তটি দেশ ও শিক্ষাঙ্গণের জন্য সর্বোত্তম হয়।
বৈঠকের প্রসঙ্গে তিনি জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম গোছানো এবং আগামী ছয় মাসে কী কী দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখানো সম্ভব, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। আসন্ন ক্যাবিনেট বৈঠকে এসব পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হবে। প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহির আওতায় আনা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সামনে এসএসসি পরীক্ষা রয়েছে এবং শিক্ষা খাতে কয়েকটি তাৎক্ষণিক বিষয় আছে, সেগুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সামগ্রিক শিক্ষানীতির লক্ষ্যের আলোকে মন্ত্রণালয়কে আরও সুসংগঠিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পঞ্চম শ্রেণির পরীক্ষা নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি এবং তা নিয়ে আলোচনা করাও এই মুহূর্তে প্রাসঙ্গিক নয়।