ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপের উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ শেষে আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী। সোমবার রাতে বার্নলির বিপক্ষে শেফিল্ড ইউনাইটেডের ২-১ গোলে পরাজয়ের পর মাঠ ছাড়ার সময় দর্শকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে নিরাপত্তা বাহিনীর হস্তক্ষেপে হামজাকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
\r\nঘটনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত হামজা চৌধুরী কিংবা শেফিল্ড ইউনাইটেড ক্লাবের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য আসেনি। তবে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা এবং সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দাবি করা হয়েছে, বার্নলির কিছু সমর্থকের উসকানিমূলক ও বর্ণবাদী মন্তব্যের কারণেই ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন হামজা।
\r\nএক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, হামজা চৌধুরীকে উদ্দেশ্য করে বার্নলির একজন সমর্থক ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গি ও কটূক্তি করেন, যা দেখে তিনি প্রতিবাদ করেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে মাঠে নামা নিরাপত্তাকর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
\r\nসংবাদমাধ্যম দ্য আইরিশ সান, ডেইলি মিরর, ও দ্য মিরর-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামজাকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা নিয়ে ব্রিটিশ ফুটবল অঙ্গনে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, হামজার ফিলিস্তিনপন্থী অবস্থান ও সাম্প্রতিক মন্তব্য নিয়েও দর্শকরা তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। যদিও এসব দাবির কোনো নিশ্চিত প্রমাণ এখনো প্রকাশ হয়নি।
\r\nএদিকে, শেফিল্ড ইউনাইটেডের কোচ ক্রিস ওয়াইল্ডার ম্যাচ শেষে বলেন, “মাঠে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা শেষ বাঁশির পর পুরোপুরি অনুপস্থিত ছিলেন। প্রায় ৪০-৫০ জন উত্তেজিত দর্শক যখন আপনার দিকে ছুটে আসে, তখন মাঠ ছাড়াটা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। এর দায় আমাদের ওপর চাপানো উচিত নয়।”
\r\nসামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই হামজার প্রতি সংহতি জানিয়েছেন। কেউ কেউ দাবি করছেন, ইউরোপিয়ান ফুটবলে বর্ণবাদের বিরুদ্ধে এত কঠোর অবস্থান থাকা সত্ত্বেও এই ঘটনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি ক্লাব বা লীগ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে।
\r\n




