যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা একইসঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ—এমন মন্তব্য করেছেন দক্ষিণ এশীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক মারিয়া সুলতান।

ইসলামাবাদ থেকে আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পাকিস্তান একদিকে সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর ঘনিষ্ঠ মিত্র, অন্যদিকে প্রতিবেশী ইরানের সঙ্গে তার কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে। ফলে এই ভারসাম্য রক্ষা করা সহজ হবে না।

তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক বিবেচনায় রেখেও পাকিস্তানকে সতর্কভাবে এগোতে হবে। এ অঞ্চলে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু হলে তা ভয়াবহ মানবিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

মারিয়া সুলতানের মতে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় শক্তিগুলোর সক্রিয় ভূমিকার ঘাটতির মধ্যেই পাকিস্তান এই আলোচনায় মধ্যস্থতার উদ্যোগ নেয়। কৌশলগত অবস্থান ও বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কারণে দেশটি এ ভূমিকায় এগিয়ে এসেছে।

তিনি বলেন, সৌদি আরব ও চীনের সহযোগিতা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আলোচনায় আগ্রহ এই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে সতর্ক আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, অনিশ্চয়তা থাকলেও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো যুদ্ধের ঝুঁকি বিবেচনা করে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে এগোতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের এই ভূমিকা সফল হলে তা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, তবে সামান্য ভুল পদক্ষেপই নতুন উত্তেজনার কারণ হতে পারে।

সূত্র: আলজাজিরা।