রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে ক্যাম্পাসের বাইরেও। এ নির্বাচন ঘিরে ক্যাম্পাস–সংলগ্ন বিনোদপুর, কাজলা, চারুকলা, হরিজনপল্লী ও মেহেরচণ্ডী এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা–কর্মীরা।
জানানো হয়, দলীয় নির্দেশনায় তাঁরা নির্বাচনের ‘উৎসব ভাগাভাগি’ করতে এসেছেন। বুধবার থেকে এসব এলাকায় শামিয়ানা টানিয়ে অবস্থান শুরু করেন তারা। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে তাঁদের উপস্থিতি আরও বাড়ে। ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকসংলগ্ন সড়কে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীরা দুই পাশে আলাদা শামিয়ানা টানিয়ে অবস্থান করছেন। অনেককে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা দিতেও দেখা গেছে।
বিনোদপুর এলাকায় অবস্থানকারী মতিহার থানা শ্রমিককল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক রাকিব আলী বলেন, “অনেক বছর পর ভোট হচ্ছে, আমরা দলের নির্দেশে এখানে আছি, ভোটের উৎসব উপভোগ করছি।”
বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান বলেন, “আমি রাবির সাবেক শিক্ষার্থী। সাড়ে তিন যুগ পর ভোট হচ্ছে—এটা ঐতিহাসিক ঘটনা। আমরা কোনো বিশৃঙ্খলার জন্য না, বরং উৎসব উদ্যাপন করতেই এখানে আছি।”
তবে মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এরশাদ আলী দাবি করেন, “জামায়াত যাতে ভোটে প্রভাব বিস্তার না করতে পারে, সে জন্য আমরা সজাগ আছি।”
এদিকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমানউল্লাহ আমান ফেসবুকে একটি ভিডিও শেয়ার করে দাবি করেন, “রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটের সামনে প্রকাশ্যে অস্ত্র বিতরণ করছে জামায়াত–শিবির।”
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।





