রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে অন্য যেকোনো বিভাগের তুলনায় সবচেয়ে বেশি প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে। কেন্দ্রীয় সংসদ ও হল সংসদ মিলিয়ে এ বিভাগ থেকে এবার লড়ছেন মোট ২২ জন প্রার্থী—যার মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদে ১২ জন এবং হল সংসদে ১০ জন।
\r\nদীর্ঘ ৩৫ বছর পর অনুষ্ঠিতব্য রাকসু নির্বাচনে এমন সক্রিয় অংশগ্রহণকে বিভাগের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা গর্বের বিষয় হিসেবে দেখছেন। তারা মনে করেন, এটি ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
\r\nকারা কারা লড়ছেন?
\r\n২০১৮-১৯ সেশন থেকে
\r\n- \r\n
- \r\n
মিডিয়া ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে: সাইদুল ইসলাম আকাশ
\r\n \r\n - \r\n
জোহা হলে ভিপি পদে: শিখর রায়
\r\n \r\n
২০১৯-২০ সেশন থেকে
\r\n- \r\n
- \r\n
সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি: ইরফান তামিম
\r\n \r\n - \r\n
পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক: মাহির ফয়সাল
\r\n \r\n
২০২০-২১ সেশন থেকে
\r\n- \r\n
- \r\n
কেন্দ্রীয় সংসদে ভিপি: বিল্লাল হুসাইন
\r\n \r\n - \r\n
মিডিয়া ও প্রকাশনা সম্পাদক: সৈয়দ আব্দুল কাদের, শাহরিয়ার মোর্শেদ
\r\n \r\n - \r\n
সহ-মিডিয়া ও প্রকাশনা সম্পাদক: নূরনবি
\r\n \r\n - \r\n
হল সংসদে ক্রীড়া সম্পাদক: রুহুল আমীন
\r\n \r\n - \r\n
সংস্কৃতি সম্পাদক: রনি আহমেদ, আলিম খান
\r\n \r\n - \r\n
সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক: আবু নাঈম
\r\n \r\n - \r\n
বিজয়-২৪ হলে জিএস: জুবায়ের জিসান
\r\n \r\n
২০২১-২২ সেশন থেকে
\r\n- \r\n
- \r\n
সিনেট সদস্য: ইনসান আলী
\r\n \r\n - \r\n
তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক: ইনসান আলী
\r\n \r\n - \r\n
সহ-সাধারণ সম্পাদক (তাপসী রাবেয়া হল): খাতিজা আক্তার হিয়া
\r\n \r\n - \r\n
সহ-সাধারণ সম্পাদক (শহীদ হবিবুর রহমান হল): এনামুল হক
\r\n \r\n - \r\n
সহ-ক্রীড়া সম্পাদক (জুলাই-৩৬ হল): উম্মে জাহান (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত)
\r\n \r\n
২০২২-২৩ সেশন থেকে
\r\n- \r\n
- \r\n
এজিএস: শাহ পরান লিখন
\r\n \r\n - \r\n
সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক: মুনান হাওলাদার
\r\n \r\n - \r\n
সহকারী নারীবিষয়ক সম্পাদক: নাদিয়া হক
\r\n \r\n - \r\n
সমাজকল্যাণ সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম
\r\n \r\n
২০২৩-২৪ সেশন থেকে
\r\n- \r\n
- \r\n
মাদার বখস হলে কার্যনির্বাহী সদস্য: আল আমিন
\r\n \r\n
কী বলছেন শিক্ষার্থীরা?
\r\nপ্রচার সম্পাদক পদপ্রার্থী মুনান হাওলাদার বলেন,
\r\n\r\n\r\n“গণযোগাযোগ বিভাগের শিক্ষার্থীরা সবসময়ই ক্যাম্পাসের নানা আন্দোলন ও কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। এবারও সবচেয়ে বেশি প্রার্থী আমাদের বিভাগ থেকেই। এটি অবশ্যই গর্বের এবং নেতৃত্ব গঠনে বড় সুযোগ।”
\r\n
২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী শরিফুল ইসলাম তানবীর বলেন,
\r\n\r\n\r\n“মিডিয়া ও পাবলিকেশন পদে আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থীদের সক্রিয়তা চোখে পড়ার মতো। এটি বিভাগের বাস্তবমুখী শিক্ষারই প্রতিফলন।”
\r\n
সিনেট প্রতিনিধি পদপ্রার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ইরফান তামিম বলেন,
\r\n\r\n\r\n“গণযোগাযোগ বিভাগ সব সময় বাস্তব অভিজ্ঞতায় এগিয়ে থাকে। অন্য বিভাগগুলোর তুলনায় আমাদের শিক্ষার্থীরা সবসময়ই সচেতন ও সংগঠিত। নির্বাচিত হলে তারাই মাঠে প্রমাণ রাখবে।”
\r\n
বিভাগের শিক্ষকদের অভিমত
\r\nবিভাগের সভাপতি ড. মোজাম্মেল হোসেন বকুল বলেন,
\r\n\r\n\r\n“এটি অত্যন্ত ইতিবাচক যে আমাদের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এতে তাদের নেতৃত্বগুণ বাড়বে। আমি আশাবাদী, তারা নির্বাচিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখবে।”
\r\n
সারসংক্ষেপ
\r\nএই নির্বাচনের মাধ্যমে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের নেতৃত্বের চর্চা এবং অংশগ্রহণের ঐতিহ্য আবারও সামনে এসেছে। রাকসু নির্বাচনের এই প্ল্যাটফর্মকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রস্তুত করছেন ভবিষ্যৎ জাতীয় নেতৃত্বের জন্য।





