বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, “রাজনীতি এখন ডাস্টবিনের মতো হয়ে গেছে। একজন নারী যিনি শিক্ষিত, একটি মর্যাদাপূর্ণ পেশা নিয়ে গেছেন, ভালো পরিবারে জন্মেছেন—তাহার জন্য কেন রাজনীতির এই নোংরা পরিবেশে নামতে হবে?” তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে, সেলফোনের বিস্তার ও ‘বট আইডি’ ও ‘এআই’র প্রবেশের পর রাজনীতি একেবারেই ডাস্টবিনে পরিণত হয়েছে।
\r\nরুমিন ফারহানা প্রশ্ন তোলেন, যোগ্য নারী নেতৃত্বের অবস্থান কেন কম। বিএনপি এবার ২৩৭ আসনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে, তার মধ্যে মাত্র ১০ জন নারী। বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নারী নেতৃত্বের অংশগ্রহণ কমছে। তিনি বলেন, বড় দলগুলোর মধ্যে যোগ্য নারী নেতৃত্বের অভাব নেই, তবে সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। “পুরুষদের সঙ্গে তুলনা করলে তারা কম, কিন্তু এত কম নয় যে মাত্র তিন বা চার শতাংশ প্রার্থী হন।”
\r\nছোট দলগুলোকে জোটের সঙ্গে একীভূত করার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের যুক্তি হচ্ছে ছোট দলগুলো কখনো স্বাধীনভাবে বিকশিত হতে পারে না। তারা প্রায়শই বড় দল—যেমন ধানের শীষ বা নৌকা—এর সমর্থনে সংসদে যায়। এজন্য বলা হয়েছে, যার দলের নিবন্ধন ও প্রতীক আছে, তাকে সেই মার্কায় নির্বাচন করতে হবে। রুমিন ফারহানা যুক্তি দেন, যাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং পার্লামেন্টে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা রয়েছে, তারা জোটে যোগ দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে দুই দিকেই বিতর্ক রয়েছে।
\r\nতিনি আরও বলেন, “যদি কোনো দলের নিবন্ধন ও প্রতীক থাকে, তাহলে প্রশ্ন ওঠে, আপনি কেন অন্য মার্কা ব্যবহার করছেন? আপনি যদি দলের রাজনীতি মানেন, তবে সেই দলের প্রতীক ব্যবহার করাই উচিত।” একই সঙ্গে তিনি জানান, দীর্ঘদিন বড় দলের সঙ্গে থাকা নেতাদের জন্য একটি এক্সপেক্টেশন থাকে—সংসদে নির্বাচিত হওয়া। এ কারণে তারা জোটে যুক্ত হয়, এবং বড় দলগুলোও একাধিক ছোট দলকে একত্রিত করে জোট তৈরি করে।
\r\nরুমিন ফারহানা’র বক্তব্যে স্পষ্ট, রাজনীতিতে নারী অংশগ্রহণ বাড়ানো দরকার, তবে এটি সম্ভব হবে শুধু যদি রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু করা যায়।





