গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় ‘গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন’ (জিএইচএফ) পরিচালিত একটি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে ইসরায়েলের বিমান হামলায় অন্তত ৩০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১১৫ জন।
\r\nরোববার (১ জুন) ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ডব্লিউএএফএ এবং হামাস-সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলো এ তথ্য জানিয়েছে। তবে হামলার বিষয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।
\r\nডেলাওয়ারভিত্তিক মার্কিন ত্রাণ সংস্থা জিএইচএফ সম্প্রতি গাজায় তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। সংস্থাটিকে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ইসরায়েলও সমর্থন দিয়ে আসছে। তবে এ সংস্থার ত্রাণ কার্যক্রম ঘিরে বিতর্ক রয়েছে। বিশেষ করে, ইসরায়েলের প্রস্তাবিত বায়োমেট্রিক যাচাই পদ্ধতি নিয়ে ফিলিস্তিনিদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
\r\nইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলছেন, এই প্রযুক্তিনির্ভর যাচাইয়ের মাধ্যমে ত্রাণ গ্রহণকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করে হামাস সংশ্লিষ্টদের বাদ দেওয়া সম্ভব হবে। তবে সমালোচকরা বলছেন, এতে মানবিক সহায়তা আরও জটিল ও রাজনৈতিক হয়ে উঠছে।
\r\nএর আগে গত ২৮ মে একই ধরনের একটি ঘটনায় হামাস অভিযোগ করেছিল, জিএইচএফ পরিচালিত একটি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের কাছে ইসরায়েলি হামলায় ৩ জন নিহত ও ৪৬ জন আহত হন। তবে পরবর্তীতে জিএইচএফ ওই হামলার সঙ্গে তাদের কেন্দ্রের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করে।
\r\nইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করে, ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রে হাজারো মানুষ জড়ো হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘাঁটির বাইরের এলাকায় সতর্কতামূলক গুলি চালানো হয়েছিল।
\r\nগাজার মানবিক পরিস্থিতি ইতোমধ্যেই চরমে পৌঁছেছে। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা রাফা ও গাজার অন্যান্য অঞ্চলে দ্রুত ও নিরবিচারে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়ে আসছে।





