গণফোরাম রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে। এর আগে শুক্রবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে গণফোরাম অংশ নিলেও স্বাক্ষর করেনি।
শনিবার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা পবন চৌধুরী ক্ষুদেবার্তায় জানান, রোববার নির্ধারিত সময়ে গণফোরামের দুই প্রতিনিধি সনদে স্বাক্ষর করবেন।
বৃহৎ আড়ম্বরের মধ্য দিয়ে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ ২৪টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেন। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আইনি ভিত্তি না থাকায় সনদে সই করেনি। অনুষ্ঠানে গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
মিজানুর রহমান বলেন, “ভুল বোঝাবুঝির কারণে শুক্রবার আমরা সনদে স্বাক্ষর করতে পারিনি। আমরা চাইছিলাম সংবিধানের ১৫০(২) অনুচ্ছেদের ৭ম তফসিল, অর্থাৎ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বাদ দেওয়া যাবে না। মূল কপিটি সইয়ের আগে আমাদের কাছে ছিল না, পরে অনুষ্ঠান শেষে সেটি দেওয়া হয় এবং আমাদের দাবি পূরণ হয়েছে।”
১৪ অক্টোবর রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠানো জুলাই সনদে সংবিধানের ১৫০(২) অনুচ্ছেদ সংশোধনের পাশাপাশি ৫ম (বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ), ৬ষ্ঠ (২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষণা) ও ৭ম (স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র) তফসিল সংবিধান থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।
গণফোরাম জানিয়েছিল, ৭ম তফসিল বাদ না দিলে সনদে সই করবে না। দলগুলোর দাবিতে কমিশন বৃহস্পতিবার ৭ম তফসিল বাদ দেওয়ার প্রস্তাব থেকে সরে আসে এবং চূড়ান্ত সনদে তা উল্লেখ করা হয়।
অন্যদিকে, আমন্ত্রিত ৩০টি রাজনৈতিক দল ও জোটের মধ্যে বাংলাদেশ জাসদ, সিপিবি, বাসদ ও বাসদ মার্কসবাদী দল ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছে যে তারা জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে না।





