তিন ম্যাচ ধরে দুই অঙ্কও ছুঁতে পারেননি লিটন দাস। তবে সিলেটে এসে যেন সুদে-আসলে সব বুঝে নিলেন তিনি। অধিনায়ক ব্যাট হাতে করলেন দায়িত্বশীল ফিফটি, আর তাতেই বাংলাদেশ পেল ৮ উইকেটের বড় জয়, হাতে ছিল ৩৯ বল।
\r\nশুরুটা করেছিলেন পারভেজ হোসেন ইমন। ইনিংসের প্রথম তিন বলে চার, চার, ছক্কা হাঁকিয়ে দারুণ আভাস দিয়েছিলেন তিনি। তবে ঝলক দেখিয়েই ১৫ রানে থামতে হয় বাঁহাতি ওপেনারকে। এরপর মঞ্চে আসেন লিটন ও তানজিদ হাসান তামিম। দ্বিতীয় উইকেটে তারা যোগ করেন ৬৬ রান। ছক্কা মারতে গিয়ে ২৯ রানে আউট হলে ভাঙে তানজিদের ইনিংস।
\r\nলিটন তখনো স্থির। পরে ২২ মাস পর দলে ফেরা সাইফ হাসানকে সঙ্গী করে ম্যাচ শেষ করে আসেন। লম্বা বিরতির পর সুযোগ পেয়ে সাইফ খেললেন ঝোড়ো ইনিংস। বিক্রমজিৎ সিংকে টানা দুই ছক্কা হাঁকিয়ে ১৪তম ওভারেই দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি। ৩৬ রানে অপরাজিত থাকা সাইফ খেলেন মাত্র ১৯ বল, যেখানে ছিল ৩ ছক্কা ও ১ চার।
\r\nঅন্যদিকে লিটন তুলে নেন ক্যারিয়ারের ১৩তম ফিফটি। সাকিব আল হাসানের সঙ্গে যৌথভাবে এখন তিনিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ফিফটি-সংগ্রাহক। ৫৪ রানের অপরাজিত ইনিংসে লিটন হাঁকান ৬ চার ও ২ ছক্কা। স্ট্রাইক রেট ছিল ১৮৬.২০। নতুন পাওয়ার হিটিং কোচ জুলিয়ান উডের ক্লাসে যেন প্রথম পরীক্ষাতেই ভালো নম্বর কুড়োলেন লিটন-সাইফ।
\r\nএর আগে ব্যাট হাতে ভুগেছে নেদারল্যান্ডস। তাসকিন আহমেদের গতির সামনে দাঁড়াতেই পারেনি সফরকারীরা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে সংগ্রহ দাঁড়ায় মাত্র ১৩৬। তাসকিন একাই নেন ৪ উইকেট, খরচ করেন ২৮ রান। ক্যারিয়ারের তৃতীয়বারের মতো চার উইকেট তুলে নিলেন ৩০ বছর বয়সী এই পেসার।





