মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) শাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। তবে নির্বাচনের একদিন আগে বিএনপিপন্থি আট জন শিক্ষক নির্বাচন কমিশন থেকে পদত্যাগ করেছেন। বিষয়টি সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সামাজিক বিজ্ঞান ভবনের শিক্ষক মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. আশরাফ উদ্দিন।


\r\n

ড. আশরাফ উদ্দিন বলেন, “আমরা প্রশাসনের আচরণে বিব্রত বোধ করছি। ভাইস চ্যান্সেলরকেও জানিয়েছি এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন হবে কি-না। নির্বাচন পরিচালনায় সম্ভবত দুইশ’ শিক্ষক প্রয়োজন, যারা আমাদের মতের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেন, তারা সরে আসবেন।” তিনি আরও বলেন, জাতীয়তাবাদী শিক্ষকরা সুষ্ঠু ও সবার অংশগ্রহণে নির্বাচন চায়, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু প্রক্রিয়া ও নীতিমালা নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি করছে।


\r\n

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আতিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. ইফতেখার আহমেদ ও অধ্যাপক ড. সালমা আক্তার।


\r\n

অপরদিকে, জামায়াতে ইসলামীপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচারস লিংক-ইউটিএল’র বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যসচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মঙ্গলবার নির্বাচনের দাবি জানান। তিনি ভোটকে সুষ্ঠু ও সফল করতে সর্বোচ্চ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন।


\r\n

এর আগে, স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী মমিনুর রশিদ শুভ শাকসু নির্বাচনে স্থগিতাদেশ চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন। সোমবার হাইকোর্ট চার সপ্তাহের জন্য নির্বাচন স্থগিত করেন। দুপুরে এই আদেশের খবর ক্যাম্পাসে পৌঁছালে শিক্ষার্থী ও প্রার্থী বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন, ফলে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, রেজিস্টারসহ বিভিন্ন কর্মকর্তারা ভবনে অবরুদ্ধ হন। পাশাপাশি সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা।


\r\n

বিক্ষোভ চলাকালীন শিক্ষার্থীরা মঙ্গলবার নির্ধারিত তারিখেই শাকসু নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান। নির্বাচনী তারিখ না হলে তারা ব্লকেডসহ কঠোর কর্মসূচি নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।