জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত করতে নেওয়া হয়েছিল তাদেরকে আয়না ঘরে, যেখানে জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন চালানো হয়। আন্দোলন বন্ধ করতে সমন্বয়কদের গুমের হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় ট্রাইব্যুনালে দ্বিতীয় দিনের জবানবন্দিতে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি-জামায়াত নাশকতা করছে এমন স্বীকারোক্তি আদায়ে শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল। তিনি আরও জানান, জুলাই গণহত্যায় জড়িতদের শাস্তি চাইছেন তিনি। এছাড়া, অভ্যুত্থান পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল।
প্রথম দিনের জবানবন্দিতে নাহিদ ইসলাম ২০১৮ সালের কোটা প্রথা বাতিল, ২০১৯ সালের একতরফা ডাকসু নির্বাচন এবং জুলাই আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের দমন-নিপীড়ণের বর্ণনা দিয়েছেন।





