ইসলামে বদ নজর বা নজরে লাগা বাস্তব বিষয় হিসেবে বিবেচিত। মানুষের হিংসা বা অতিরিক্ত প্রশংসার দৃষ্টি অনেক সময় অন্যের ক্ষতির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব বেশি পড়তে পারে বলে ধর্মীয়ভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
হাদিসে উল্লেখ আছে, শিশুদের বদ নজর থেকে রক্ষার জন্য নির্দিষ্ট দোয়া ও আমল রয়েছে। মহানবী মুহাম্মদ (সা.) নিজ নাতি হাসান ও হুসাইনকে (রা.) বদ নজর থেকে সুরক্ষার জন্য দোয়া পড়তেন।
নবীজি (সা.)-এর শেখানো দোয়া
ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলতেন:
উচ্চারণ: আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক।
অর্থ: আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালিমার মাধ্যমে তাঁর সৃষ্ট সব কিছুর ক্ষতি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৭০৮)
পড়ার নিয়ম
শিশুর কপালে বা শরীরে হাত রেখে দোয়া তিনবার পড়া।
প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় বা বাইরে বের হওয়ার আগে পড়া।
দোয়া শেষে শিশুর শরীরে হালকাভাবে ফুঁ দেওয়া।
ইসলামী শিক্ষায় বলা হয়েছে, কুরআনের আয়াত, হাদিসে বর্ণিত দোয়া এবং ‘রুকইয়া’র মাধ্যমে শিশুদের বদ নজর থেকে রক্ষা করা যায়





