২৮ ফেব্রুয়ারি সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা মিলনায়তনে বিকাল সাড়ে চারটায় শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও পাথর কোয়ারি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মন্ত্রী নতুন আলোচনার সৃষ্টি করেছেন।
সাকিব আহমেদ
প্রতিনিধি : গোয়াইনঘাট (সিলেট)
শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সম্প্রতি বলেছেন— শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের জন্য “যা যা করার তাই করব” এবং যে কোনো মূল্যে সরকারি সম্পদ রক্ষা করতে হবে। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কোনো বালু মহাল বা পাথর কোয়ারি থেকে চোরাই উত্তোলন সহ্য করা হবে না।
মন্ত্রী নির্বাচনের সময় “সনাতন পদ্ধতিতে পাথর কোয়ারি চালুর” যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেটি আবারও স্মরণ করিয়ে দিয়ে কাজ করার সুযোগ চেয়েছেন। তবে সমালোচকদের মতে, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তব অগ্রগতি যথাযথ হয়নি। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের দৃশ্যমান কাঠামো এখনও সামনে আসেনি। কর্মসংস্থানের সুস্পষ্ট রূপরেখা, সময়সীমা ও নীতিমালা এখনো জনসমক্ষে স্পষ্ট নয়।
এছাড়া, মন্ত্রী জানিয়েছেন গোয়াইনঘাটের ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের কার্যক্রম দ্রুত চালুর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। হাসপাতাল চালু হলে এলাকার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মার্চের মধ্যেই গোয়াইনঘাটের বিভিন্ন সড়কের উন্নয়ন কাজ শুরু হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। অবকাঠামোগত উন্নয়ন বাস্তবায়িত হলে যোগাযোগ ব্যবস্থায় গতি আসবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিও চাঙ্গা হবে।
সার্বিকভাবে, মন্ত্রীর বক্তব্যে উন্নয়ন, শৃঙ্খলা ও কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত হলেও স্থানীয়দের মধ্যে এখনো অপেক্ষা ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।





