সৃজনশীলনিষ্ঠ খেলাধুলার অভাব যা শিশুদের কল্পনা, সমস্যা সমাধান, ভাষা ও সামাজিক দক্ষতা বিকাশের জন্য অপরিহার্য আজকাল অনেক দেশে একটি শঙ্কাজনক পরিস্থিতি। ঢেলে সাজিয়ে দেওয়া নীচের গবেষণামূলক তথ্যগুলো এই বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা দেয়। মূল প্রতিবন্ধকতা ও তাদের প্রভাবের আলোচনা:
অসংরচিত খেলার অবনমন:
কৌশলগত চাপ, স্কুলে বিশ্রামের ঘাটতি ও ডিজিটাল বিনোদনের আধিক্য শিশুদের স্বতঃস্ফূর্ত সৃজনশীল খেলার বাজার সংকুচিত করছে।
খেলনার পরিমাণ ও মানের দ্বৈরথ:
গবেষণা দেখিয়েছে কম খেলনা বেশি সৃষ্টি ও মনোযোগ বাড়ায়, যেখানে খেলনা বেশি হলে মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটে।
সামাজিক-অর্থনৈতিক বৈষম্য:
সুবিধাজনক শিশুদের মতো সৃজনশীল নাট্যময় খেলার অভাব সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মেধা বিকাশে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলছে।
শিক্ষা ও সৃজনশীলতার সংযোগ ঘাটতি:
অনেক গবেষক (যেমন UNICEF, PBS) খানিকটা জানাচ্ছেন যে সৃজনশীল খেলা ভাষা, সমাধানক্ষমতা, কল্পনাশক্তি ও বৈচিত্র্যময় চিন্তার বিকাশে মৌলিক ভূমিকা রাখে।
বর্তমান গবেষণা স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে-
* অবাধ, গুণগত সৃজনশীল খেলাধুলার অভাব
* খেলনার অতিরিক্ততা
* সামাজিক-অর্থনৈতিক অসমতা
এই তিনটি বিষয়ে খেয়াল না রাখা হলে শিশুদের মেধাতত্ত্ব ও সামগ্রিক বিকাশ দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
লেখক, মোঃ মোসাব্বির রাহমান
(মেন্টাল হেলথ এডভোকেট)
প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী





