বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা আবদুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান রিয়াদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির তদন্তে নতুন তথ্য পেয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় রিয়াদের আরও একটি বাসার সন্ধান মিলেছে। ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে নগদ ২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া রিয়াদ ও তার সহযোগীরা আরও কোথায় কোথায় চাঁদাবাজি করেছে, সে সম্পর্কেও তদন্ত চলছে।

এর আগে সোমবার রাতে রিয়াদের নাখালপাড়ার বাসায় অভিযান চালিয়ে দুই কোটি ২৫ লাখ টাকার চেক উদ্ধার করা হয়।

সম্প্রতি সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় গিয়ে নিজেদের 'সমন্বয়ক' পরিচয় দিয়ে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন পাঁচ যুবক।

তাদের দাবি অনুযায়ী, কিছুদিন আগে তারা ওই বাসা থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়ে যায়, পরে ফের গিয়ে স্বর্ণালংকার দাবি করলে বাড়ির লোকজন পুলিশে খবর দেয়।

পরে রিয়াদসহ পাঁচজনকে হাতেনাতে আটক করে গুলশান থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় শাম্মী আহমেদের স্বামী সিদ্দিক আবু জাফর গুলশান থানায় ছয়জনকে আসামি করে চাঁদাবাজির মামলা করেন।

ঘটনার পর পুলিশ আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াদুর রহমান সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশ বলছে, এ ঘটনায় রিয়াদের সম্পৃক্ততা, চাঁদাবাজির পরিমাণ এবং অন্য কোনো সহযোগী বা গডফাদার রয়েছে কি না—সে বিষয়েও অনুসন্ধান চলছে।